বিজেপি-তৃণমূল বিরোধী জোটের দফারফা, কংগ্রেসের জেতা দুটি আসনে প্রার্থী বামেদের
কংগ্রেসের জেতা চারটি আসনে প্রার্থী না দিয়ে বামফ্রন্টের অবস্থান বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বামফ্রন্নির্দিষ্ট সময়সীমা দিয়েছিল।
কংগ্রেসের জেতা চারটি আসনে প্রার্থী না দিয়ে বামফ্রন্টের অবস্থান বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বামফ্রন্নির্দিষ্ট সময়সীমা দিয়েছিল। ডেডলাইন পার হয়ে যেতেই কংগ্রেসের জেতা দুটি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করল বামফ্রন্ট। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ও মালদহ উত্তর কেন্দ্রে প্রার্থী দিল তারা। তবে এখনও বহরমপুর ও মালদহ দক্ষিণ কেন্দ্রটি ছেড়ে রাখা হল।

অর্থাৎ এখনও কংগ্রেসের সঙ্গে সমঝোতার রাস্তা খোলা রেখেছে বামফ্রন্ট। কংগ্রেস যেহেতু বামফ্রন্টের জেতা দুটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে, তার পাল্টা বামফ্রন্ট কংগ্রেসের জেতা দুটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে। জঙ্গিপুরে প্রার্থী হন জুলফিকার আলি আর মালদহ উত্তরে বামফ্রন্টের প্রার্থী বিশ্বনাথ ঘোষ।
কংগ্রেসের জেতা চার আসনে প্রার্থী না দিয়ে সৌজন্য করেছিল বামফ্রন্ট। অবশ্য একইসঙ্গে হুঁশিয়ারিও লুকিয়েছিল সেই সৌজন্যের আড়ালে। তারপর কংগ্রেস পাল্টা চাল দেয় বামফ্রন্টের জন্য পাঁচটি আসন ছেড়ে রেখে।
প্রদীপ ভট্টাচার্য সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, ওরা চার আসনে প্রার্থী দেয়নি, আমরা পাঁচ আসনে প্রার্থী দিচ্ছি না। বোলপুর, আসানসোল, বিষ্ণুপুর, ডায়মন্ড হারবার, তমলুক- এই পাঁচ আসনে কংগ্রেস কোনও প্রার্থী দেবে না। এরপর বামফ্রন্ট কংগ্রেসের জেতা দুটি আসনে প্রার্থী দেয়। এখন দেখরা পরবর্তী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে কংগ্রেস।
উল্লেখ্য, কংগ্রেসের জন্য ১৭ আসন ছেড়ে রেখে আগেভাগে ২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছিল বামফ্রন্ট। তার জেরেই মনক্ষুণ্ণ কংগ্রেস একলা লড়ার বার্তা দেয়। তারপরই বাকি ১৭ আসনের মধ্যে ১৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে সিপিএম কংগ্রেসকে অবস্থান বোঝার বার্তা দেয়। এই অবস্থায় এখনও চলছে চাপানউতোর।












Click it and Unblock the Notifications