Sandip Ghosh: ফাঁসি চাই, এজলাসেই সন্দীপ ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ আইনজীবীদের, পরিস্থিতি সামাল দিতে নামলেন বিচারক
হেফাজতে চাইল না সিবিআই। জেল হেফাজত দেওয়া সন্দীপ ঘোষকে। পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত আরজি কর কাণ্ডের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঠাঁহ হচ্ছে প্রেসিডেন্সি জেলে। কিন্তু আদালত চত্ত্বরে প্রবেশ থেকে বেরোনো পর্যন্ত প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁতে।
নজির বিহীন ভাবে কোর্ট রুমের মধ্যেই সন্দীপ ঘোষকে দেখে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন মহিলা আইনজীবীরা। তাঁরা সন্দীপ ঘোষের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন। প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভে আটকে থাকেন সন্দীপ ঘোষ। এজলাসের দুটি দরজা বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখান মহিলা আইনজীবীরা। এই পরিস্থিতি আগে কখনও দেখা যায়নি আলিপুর আদালতে।

শেষে পরিস্থিতি সামাল দিতে চেয়ার ছেড়ে নেমে আসেন বিচারক। তিনি আইনজীবীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। এবং কোর্ট রুমের বাইরে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে বলেন। কোর্টরুম বিক্ষোভ দেখানোর জায়গা নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিচারক। প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে কোর্ট রুমের ভেতরে আটকে ছিলেন সন্দীপ ঘোষ।
সকালে আদালতে ঢোকার মুখে সন্দীপ ঘোষকে দেখে চোর চোর স্লোগান দেওয়া হয়। এমনকী থাপ্পড় মারতেও দেখা গিয়েছে। এর আগেরদিনও সন্দীপ ঘোষকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রবল বেগ পেতে হয়েছে সিবিআইকে। সন্দীপ ঘোষকে সেবারও চড় মারা হয়েছিল আদালতের মধ্যে। তাঁকে দেখে চোর চোর স্লোগানও দেওয়া হয়।
সকালে আদালতে ঢোকার মুখে সন্দীপ ঘোষকে দেখে চোর চোর স্লোগান দেওয়া হয়। এমনকী থাপ্পড় মারতেও দেখা গিয়েছে। এর আগেরদিনও সন্দীপ ঘোষকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় প্রবল বেগ পেতে হয়েছে সিবিআইকে। সন্দীপ ঘোষকে সেবারও চড় মারা হয়েছিল আদালতের মধ্যে। তাঁকে দেখে চোর চোর স্লোগানও দেওয়া হয়।
এদিন সকাল থেকেই সন্দীপ ঘোষের হাজিরা নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল আদালত চত্ত্বরে। ভিড় বাড়ছিল। সন্দীপ ঘোষকে নিয়ে আদালতে পৌঁছলেই তাকে লক্ষ্য করে জুতো ছুড়ে মারা হয়। আইনজীবীরাই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আইনজীবীরাও আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন। সন্দীপ ঘোষকে জেলে কোনও রকম সুবিধা দেওয়া যাবে না দাবি করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন আইনজীবীরা। কেন সন্দীপ ঘোষকে জেল হেফাজতে দেওয়া হল তা নিয়ে প্রতিবাদ দেখাতে থাকেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications