রাজ্য সরকারি পরীক্ষাতেই একশোয় ১০০ পেয়ে পাস শুভেন্দু, পিছিয়ে নেই সুজন-দিলীপও
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে ২০১৪ র টেট পাশ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় বেশ কিছু গরমিলের অভিযোগ তোলা হয়েছে। এবার তালিকা পর্যবেক্ষণের পরে দেখা গেল সেই তালিকায় নাম রয়েছে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে ২০১৪ র টেট পাশ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় বেশ কিছু গরমিলের অভিযোগ তোলা হয়েছে। এবার তালিকা পর্যবেক্ষণের পরে দেখা গেল সেই তালিকায় নাম রয়েছে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর নাম। নাম রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও।

টেট পাশদের তালিকায় ৩ বিরোধী নেতা
গত ১১ নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ২০১৪-র টেটপাশদের তালিকা প্রকাশ করেছে। সেখানে ৮২-র ওপরে নম্বর পাওয়া ছাত্রছাত্রীরা জায়গা করে নিয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল সেই তালিকায় রয়েছে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর নাম। তালিকায় সাধারণ প্রার্থী হিসেবে ১৫০-তে ১০০ নম্বর পেয়েছেন বিরোধী দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। তাঁর রোল নম্বর হল 060038134। তালিকায় ওবিসি বি প্রার্থী হিসেবে জায়গা করা দিলীপ ঘোষ পেয়েছেন ১৫০-র মধ্যে ৯৮ নম্বর। তার রোল নম্বর 165010207।
তালিকায় নাম রয়েছে বাম নেতা সুজন চক্রবর্তীর। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ১৫০-র মধ্যে ৯৯। তাঁর রোল নম্বর 090272919।

রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও
তালিকায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও রয়েছে। সাধারণ প্রার্থী হিসেবে তিনি ৯২ পেয়েছেন। তাঁর রোল নম্বর গল 170001581।

বিষয়টি নিয়ে বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ
এই বিষয়টি সামনে আসার পরেই টেট নিয়ে মামলাকারীদের আইনজীবীরা বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিষয়টি কাকতালীয় না তা রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা, তা খতিয়ে দেখতে অনুরোধ করা হবে।

মেধা তালিকা নিয়ে আগেই প্রশ্ন উঠেছে
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রকাশিত মেধা তালিকা নিয়ে আগেই প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষকপদে নিয়োগ হওয়া ২৬৮ জনের মধ্যে ১৬৩ জনের নাম এই তালিকায় নেই। এছাড়াও যে ১০৫ জনের নাম রয়েছে তালিকায়, তাদের অনেকেই ৮২ নম্বর পেয়ে পাশ করেছেন। প্রশ্ন হচ্ছে টেট পাশের জন্য ৮২ পাওয়ার সীমারেখা সদস্য ঠিক করে দিয়েছে হাইকোর্ট। তারা কীভাবে আগেই পর্ষদের তালিকায় স্থান পেলেন, সেই প্রশ্ন উঠছে। তালিকায় বেশ কয়েকটি নামের জায়গা কেন ফাঁকা সেই প্রশ্নও উঠেছে।

পর্ষদের সাফাই
এব্যাপারে সাফাই দিতে গিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল বলেছেন, বিষয়টি বিচারাধীন হওয়ার বিতর্কিত প্রার্ধীদের নাম সেখানে রাখা হয়নি। পাল্টা প্রশ্ন উঠছে বিতর্কিত হলে কীভাবে বেশ কিছু নাম তালিকায় চলে এল। এব্যাপারে কোনও মন্তব্য না করলেও গৌতম পাল জানিয়েছেন সব তথ্য এখনও তাঁদের হাতে আসেনি। সবটা পেলে ঠিক করে দেওয়া হবে।












Click it and Unblock the Notifications