রাত পোহালেই ভোট, শেষ মূহূর্তের প্রস্তুতির মাঝে নেই-ভোটের কাঁটা এক-তৃতীয়াংশে
রাত পোহালেই ভোট। তবু বাংলার বহু এলাকাতেও এবার ভোট নেই। ভোটের দিনও নেই উত্তেজনা-উন্মাদনা। পঞ্চায়েত ভোটের আগের দিনও শুনশান গ্রামবাংলার বহু এলাকা।
রাত পোহালেই ভোট। তবু বাংলার বহু এলাকাতেও এবার ভোট নেই। ভোটের দিনও নেই উত্তেজনা-উন্মাদনা। পঞ্চায়েত ভোটের আগের দিনও শুনশান গ্রামবাংলার বহু এলাকা। প্রায় এক তৃতীয়াংশ ভোটার এবার ভোটদানের সুযোগ পাবেন না বাংলায়। কারণ রাজ্যের ৩৪ শতাংশ আসনে এবার ভোট হবে না। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এই আসনগুলি জিতে গিয়েছে শাসক দল। ইতিমধ্যে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। তাই একপ্রান্তে যখন ভোট নিয়ে উন্মাদনা, অন্যপ্রান্তে নিরুত্তাপ।

বাংলায় প্রায় পাঁচ কোটি ভোটার। তাঁদের মধ্যে পৌনে দু কোটি ভোটার এবার ভোটদানের গরিমা থেকে বঞ্চিত থাকবেন। তাই রাজ্যের গণতন্ত্র নিয়ে উঠে পড়েছে প্রশ্ন। তবে এ প্রশ্নের মধ্যেই রাত পোহালেই রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে। ব্যালট পেপার ও ব্যালট বক্স নিয়ে ইতিমধ্যেই ভোটকর্মীরা পৌঁছে গিয়েছেন ভোটকেন্দ্রে। রুট মার্চ চালাচ্ছে পুলিশ। জেলায় জেলায় ভোট প্রস্তুতি সারা।
মোট ৫৮,৬৯২ আসন হলেও, ভোট হবে ৩৮,৬০৫ আসনে। জেলা পরিষদে ৮২৫টির মধ্যে ভোট হবে ৬২১টি আসনে। পঞ্চায়েত সমিতিতে ৯২১৭টির মধ্যে ভোট হবে ৬,১৫৭টি আসনে। আর গ্রাম পঞ্চায়েতে ৪৮,৬৫০টি আসনের মধ্যে ভোট হবে ৩১,৮২৭টিতে। অর্থাৎ তিনটি স্তরের মোট ২০,০৮৭টি আসনে এবার ভোট হচ্ছে না। ভোটের আগে রায় বেরিয়ে গিয়েছে জেলা পরিষদের ২০৩, পঞ্চায়েত সমিতির ৩০৬০ ও গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬,৮১৪টি আসনে।
এবার যে জেলার লড়াই নিয়ে সবথেকে বেশি নজর ছিল, সেই বীরভূমে ভোট প্রায় শেষ। জেলা পরিষদের একটি আসনেও ভোট হচ্ছে না। অনুব্রত মণ্ডলের গড়ে ৪২টি জেলা পরিষদ আসনেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী তৃণমূল কংগ্রেস। নিদেন পক্ষে ধরতে গেলে মাত্র চারটি ব্লকে এবার ভোট হবে। মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদেরও অধিকাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল।
এই জেলার ৪৮টি আসনে ভোটের আগেই ফলাফল নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। আর বাঁকুড়া জেলা পরিষদও তৃণমূলের দখলে চলে এসেছে। তবে বাকি জেলাগুলিতে শাসক-বিরোধী লড়াই এখনও অবশিষ্ট রয়েছে। দীর্ঘ টালবাহানার পর সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করাই এখন প্রধান লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের।












Click it and Unblock the Notifications