হীরে দিয়ে আরতি, জৈষ্ঠেও দুর্গা আরাধনার অভিনব আয়োজন শহরে
হীরে দিয়ে আরতি, জৈষ্ঠেও দুর্গা আরাধনার অভিনব আয়োজন শহরে
সোনার দুর্গা দেখেছে কলকাতা। শহর রুপোর রথ দেখেছে, আবার হীরের মুকুটও দেখেছে। কিন্তু হীরে দিয়ে আরতি হচ্ছে দেবী দুর্গার এমন কখনও দেখেছে ? না তা দেখেনি। এমন হলে তবে তো দেখবে। এমন দৃশ্য নজিরবিহীন। সেই ঘটনাই দেখা গেল এই শহরের বুকে। তাও কোথায় ? সেই ক্লাবের কাছেই যারা একসময় হীরের মুকুট গড়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল।

শ্রীভূমি থেকে একটা স্টপেজ পেরোলেই লেকটাউন অধিবাসীবৃন্দ ক্লাব। তাঁরাই তাদের হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে অর্থাৎ ষাটতম বছরের দুর্গোৎসবের ঢাকে কাঠি বাজিয়ে দিল হীরের মাধ্যমে দেবী দুর্গার অঞ্জলি করল। তারপর হল খুঁটি পুজো।
প্রথমে অবিশ্বাস্য মনে হবে এই কথা শুনলে। মনে হবে এও সম্ভব? কলকাতা শহরে তা সম্ভব। দুর্গা পুজোর আগে প্রাক অঞ্জলি হল হীরে দিয়েই। চোখে না দেখলে বিশ্বাস হবে না। প্রথমে এল একটি সিন্দুক। তা থেকে বেরিয়ে এল এক বাটি ভরতি হীরে। তা দিয়ে মায়ের অঞ্জলি করলেন রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু।

এই প্রসঙ্গে ক্লাবের মুখপাত্র সৌমেন বসু বলেছেন যে, "গত দুই বছর ঠিক করে পুজো করা যায়নি করোনা পরিস্থিতি খারাপ থাকায়। এই বছর পরিস্থিতি অনেকটাই ঠিকঠাক।।তার উপর ষাট বছর । স্পেশ্যাল কিছু একটা করতে চাইছিলাম আমরা হীরক জয়ন্তী তাই হীরে দিয়ে মা'কে আমরা আগমনী বার্তা পাঠাবো "।

অনুষ্ঠানে সুজিত বসু বলেন, "একটা অভিনব ভাবনা। গত বছর দুয়েক মানুষ মানুষের থেকে দূরে দূরে থেকেছে। এবার কাছে থেকে আনন্দ করতে হবে। তাই জ্যৈষ্ঠে এই যে খুঁটি পুজো তা প্রথমত একটা দারুণ ব্যাপার। তার পাশাপাশি এই আরতির আয়োজনটাও বেশ দারুন। পুরনো ক্লাব এটা। ভালোভাবে পুজো করবে। আর আমার এলাকার মধ্যে এই ক্লাব পড়ে। তাই বলেছিলাম যে কোনও সাহায্যে আমি আছি। তাই এসেছি। সবসময়ই থাকব"

এই প্রসঙ্গে ক্লাবের সূত্রে জানা গিয়েছে এবারে তাদের থিম সাদা রাবণ। কার্যত অন্ধকারের প্রতীক হিসেবে দেখা হলেও বসন্তে দূর্গার পুজো করেছিলেন রাবণ। তাঁর যে আধ্যাত্মিক দিক, ভালো দিক সেটাই তুলে ধরা হবে এবারে লেকটাউন অধিবাসীবৃন্দ ক্লাবে।












Click it and Unblock the Notifications