লালবাজারের কাছে বিকানের ভবন থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য
ফের কলকাতায় প্রচুর টাকা উদ্ধারের ঘটনা। লালবাজারের সামনে বিকানির ভবন থেকে লক্ষাধিকেরও বেশি টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কত পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। ঘটনার খবর সামনে আসার পরেই ঘটনাস্থলে সিআ
ফের কলকাতায় প্রচুর টাকা উদ্ধারের ঘটনা। লালবাজারের সামনে বিকানির ভবন থেকে লক্ষাধিকেরও বেশি টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কত পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। ঘটনার খবর সামনে আসার পরেই ঘটনাস্থলে সিআইডির উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা পৌঁছে গিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।

এমনকি সিআইডির আইজি প্রণব কুমারও পৌঁছে গিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ওই ভবনে সিআইডি আধিকারিকরা এই মুহূর্তে তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে জানা যাচ্ছে। তবে নতুন করে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগেই বিপুল পরিমাণ টাকা সহ তিন কংগ্রেস বিধায়ককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃত তিনজনই কংগ্রেসের ঝাড়খন্ডের বিধায়ক ছিলেন। এই ঘটনার সুত্র ধরে আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। আর সেই তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা।
আর সেই তথ্যের সূত্রে ধরেই আজ মঙ্গলবার বিকানির ভবনে হানা দেয় সিআইডি। ভবনের তিনতলার একটি অফিসে তল্লাশি শুরু করে সিআইডির অফিসারেরা। কিন্তু অফিস তালাবন্ধ থাকায় তা ভেঙে ঢুকতে হয় তদন্তকারীদের। আর এরপর থেকেপ্রায় তিন ঘন্টা হয়ে গিয়েছে ওই অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছেন সিআইডি আধিকারিকরা।
আর ওই তল্লাশিতে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঠিক কতটাকা উদ্ধার হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট করেনি সিআইডি। তবে সূত্রের খবর, প্রায় তিন লাখের কিছু বেশি টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে টাকা গোনার মেশিন এনে তা গোনা হচ্ছে বলে খবর। পাশাপাশি বেশ কিছু রুপর কয়েন এবং একাধিক নথি উদ্ধার হয়েছে বলে খবর।
তবে বিধায়কদের গ্রেফতারের পর থেকে ওই অফিসের মালিকের খোঁজ নেই। মালিকের নাম মহেন্দ্র আগরওয়াল। একটি শেয়ার সংস্থা হিসাবে ওই ভবনে অফিস চালালেও আদৌতে হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা পাচার ওই অফিসের মাধ্যমে হত বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। শুধু তাই নয়, এই বাড়ি থেকেই ঝাড়খন্ডের বিধায়কদের কাছে টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানতে পেরেছে সিআইডি।
বলে রাখা প্রয়োজন, হাওড়ায় বিধায়কদের গাড়ি থেকে প্রায় ৪৯ লাখ টাকা উদ্ধার করে হাওড়া পুলিশ। আর সেই সমস্ত টাকা এই বাড়ি থেকেই যায় বলে ইতিমধ্যে তথ্য পেয়েছেন তদবন্তকারীরা। এক কংগ্রেস বিধায়ক এই বিষয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সেখানে তিনি দাবি করেছেন ধৃত তিন কংগ্রেস বিধায়ক তাঁকে কলকাতায় আসতে বলেছিলেন। সেখানে তাঁকে নিয়ে গুয়াহাটিতে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার কাছে যাওয়ার কথা ছিল। ঝাড়খন্ডে নাকি সরকার ফেলতেই এহেন তোড়জোড় চলছিল বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications