সিপিএম-কংগ্রেস বিজেপির দালাল! অধীরের সেটিং তত্ত্ব উৎখাত করে পাল্টা কুণালের
অধীর চৌধুরী পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার নিয়ে মোদী-মমতা সেটিং তত্ত্ব খাঁড়া করেছেন। রাজ্য বিজেপির সঙ্গে অহি-নকুল সম্পর্ক হলেও কেন্দ্রের বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের গোপন আঁতাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার পরিপ্রেক্ষিতেই অধীর চৌধুরীকে একহাত নেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।
তিনি বলেন, দিদি-মোদীর যোগ নয়, মোদীর সঙ্গে সেটিং তো অধীর চৌধুরীর রয়েছে। তাই তো তিনি তৃণমূলের ভোট কেটে বিজেপির ভোট বাড়ান তিনি। বাংলার একের পর এক নির্বাচনে তো সেই ছবিটাই দেখা গিয়েছে। বাংলায় বিজেপির দুই ভাই সিপিএম আর কংগ্রেস আই।

তিনি বলেন, সিপিএম আর কংগ্রেস এ রাজ্যে বিজেপির হাত শক্ত করছে। খোঁজ নিন আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে কী হয়েছে। এক শ্রেণির কমরেড বিক্ষোভ দেখিয়েছেন আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে। তাঁদের দাবি, সিপিএম এখন বিজেপির দালালি করছে। কংগ্রেসও তাদের সঙ্গে বিজেপির দালালি করতে নেমেছে।
তিনি ভোট সন্ত্রাস প্রসঙ্গে উড়িয়ে বলেন, বাংলায় ৬১ হাজার বুথের মধ্যে ৬০টি বুথে ঝামেলা হয়েছে। আর বাকি বুথে অবাধ শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। বিরোধীরা হারবে বলে এসব ঝামেলা করে খবর ঘোরানোর চেষ্টা করেছে। তৃণমূল বিপুল জয় পেতে চলেছে, সেটা নিতে পারছে না বিরোধীরা। তাই নানা নাটক শুরু করেছে।
তিনি এদিন শুভেন্দু অধিকারীর রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি নিয়েও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, একজন বিরোধী দলনেতা নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ভুলভাল ইংরেজি বলছেন। তিনি আবার ৩৫৫ ও ৩৫৬ ধারা প্রয়োদের দাবি তুলেছেন। যদি ক্ষমতা থাকে আগে মণিপুরে করে দেখান। সেখানকার অবস্থা সমলাক, তারপর বাংলা নিয়ে ভাববেন।

তৃণমূল মুখপাত্র বলেন, কমিশন সঠিকভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে পারেনি কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য। কারণ কেন্দ্রীয় বাহিনী দেবে কি দেবে না সেই নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি কেন্দ্র। সেই করাণে কমিশন সঠিকভাবে প্ল্যান করতে পারেনি। এরপর তিনি পাল্টা অভিযোগ তোলেন, যেখানে যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল, সেখানে আবার তারা লাইনে দাঁড়ানো মানুষদের বলেছেন বিজেপিকে ভোট দিতে।
তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেভাবে বোম-বন্দুক দেখা গেছে রাজ্য পুলিশের ভূমিকা কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তরে কুণাল ঘোষ বলেন, কতগুলো বোমা দেখা গিয়েছে,আর পুলিশ কত বোমা উদ্ধার করেছে? এখন তো প্রত্যেক মানুষের পেছনে এক একটা করে পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয়।
তিনি পুনর্নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন, বিরোধীরা কিছু বুথে উপনির্বাচন চেয়েছে, তেমনি আমরাও কিছু জায়গায় উপনির্বাচন চেয়েছি। আসলে শুবেন্দু অধিকারীরা তো তাদের দলের কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, যেখানেই দেখবি ভোট সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে, ব্যালট বাক্স নিয়ে ছুটবি। বিজেপি ব্যালট বাক্স নিয়ে শুধু জলে ফেলেছে। এইটাই তো কাজ ছিল ওদের।












Click it and Unblock the Notifications