সব পাপ শুরু হয়েছে সিপিএম জমানা থেকে, অভিযোগের তির ঘুরিয়ে দিল তৃণমূল

সিপিএম জমানা থেকে সব পাপ শুরু হয়েছে। তাই সিপিএম যেন সাধু না সাজে। দুর্নীতির অভিযোগের তির এবার সিপিএমের দিকে ঘুরিয়ে দিতে শুরু করল তৃণমূল। তৃণমূল মূখপাত্র কুণাল ঘোষ বুধবার বলেন, তৃণমূল কোনোদিন দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়নি, কোনো অপরাধকে প্রশ্রয় দেয় না।

তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মদনদার কথার মধ্যে আমি দোষের কিছু দেখছি না। বাম জমানায় নিয়োগের ক্ষেত্রে চরম স্বজনপোষণ ও দুর্নীতি হয়েছে। সব চিরকুট লোপাট হয়েছে। ট্যাম্পারিংয়ের অভিযোগ প্রথম উঠেছিল বাম আমলেই। আদালতের হস্তক্ষেপ তাদের সময় থেকে শুরু হয়েছে। সব পাপ সিপিএম জমানা থেকে শুরু হয়েছে।

সব পাপ শুরু হয়েছে সিপিএম জমানা থেকে, অভিযোগের তির ঘুরে গেল

কুণাল ঘোষের কথায়, সিপিএম সব ধামাচাপা দিয়ে দিয়েছে। এখানে তৃণমূল কোনো অভিযুক্তের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। কোনো অন্যায়কে সমর্থন করছে না। কুণাল ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা দিতে ছাড়েনি সিপিএম। সিপিএম নেতা শমীক লাহিড়ী বলেন, তিনি কোন পাপের সাজায় জেল খেটেছেন, সেটা কাদের আমলে হয়েছে।

শমীকবাবু বলেনস এখন তো অপরাধীর সরকার চলছে, লুটেরাদের সরকার চলছে। মানুষ এই সরকারকে সরাতে উঠে পড়ে লেগেছে। তৃণমূলের এই অপরাধীদের সরকারের প্রতিবাদে আন্দোলন করছে লাল ঝান্ডা। তাই তাদের লাল ঝান্ডার উপর এত রাগ। সিপিএমকে নিশানা করছেন তাঁরা।

কুণাল ঘোষ আরও বলেন, বাম জমানায় ফুলটাইম কমরেডদের বাড়ির লোকেরা শিক্ষক-শিক্ষিকা হয়েছেন। পুরনো তৃণমূলকর্মীরা কিংবা অবিভক্ত কংগ্রেস কর্মীরা চাকরি পাননি। সেই দুঃখ থেকে কিছু কথা বলে ফেলেছেন মদন মিত্র। বাম আমলে তো কিছু ফাইলে লেখা হত, কিছু চিরকুটে লেখা হত। সেইসব চিরকুট সরিয়ে ফেলেছে সিপিএম। সিপিএম নেতাদের বাড়িগুলো, আত্মীয় স্বজনদের বাড়িগুলো দেখুন।

তিনি এদিন শুভেন্দুকেও নিশানা করেন। বলেন, শুভেন্দুর মধ্যে ভয়ঙ্করভাবে পাগলা গারদের প্রতিচ্ছবি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি উপদেশ দেন, চিঠি জমিয়ে রাখুন শুভেন্দু অধিকারী। কোনো এক পুজো বার্ষিকীতে অপ্রকাশিত পত্রাবলী হিসাবে প্রকাশিত করতে পারবেন। পাগলা গারদে দেখবেন ডাক বিভাগ খুব সচল

তিনি বলেন, পাগলা গারদে বহু লোককে চিঠি লিখতে দেখা যায়। পাগলা গারদের ডিরেক্টর বা সুপারকে জিজ্ঞাসা করলেই জানতে পারবেন। তার বহিঃপ্রকাশ হল ঘনঘন চিঠি লেখা। শুভেন্দুর মধ্যে ভয়ঙ্করভাবে সেগুলি দেখা যাচ্ছে। তাই সেগুলিকে গুরুত্ব দেওয়ার কোনো দরকার নেই।

কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেদিন ধরনা দেবেন, সেদিনই রাজ্যের এক মন্ত্রীকে তলব করেছে ইডি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হচ্ছেন, তাই ভয় পেয়েছে। তাই আবার ইডি-সিবিআইকে সক্রিয় করে লেলিয়ে দিতে চাইছে তারা। বাংলায় নিয়োগ দুর্নীতি, চাকরি বাতিল নিয়ে এত কথা হচ্ছে। কিন্তু ত্রিপুরায় প্রায় ১০,৩২৩ জনের চাকরি চলে গিয়েছে, তার বেলায় নীরব। উত্তরপ্রদেশে খোঁজ নিন, বিজেপি ওখানকার প্যানেলটার কী অবস্থা করেছে দেখুন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+