নিষিদ্ধ ঘোষণার পরেও সক্রিয়! PFI-এর কার্যকলাপ নিয়ে থানায় থানায় বার্তা কলকাতা পুলিশের
সারা দেশে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার অফিসে তল্লাশি চালানোর পরে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কেন্দ্র। তার পরেই কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় সক্রিয় রয়েছে এই সংগঠনের নেতা ও কর্মীরা। নাম বদল করে তারা চাঁদাও তুলছে। বিষয়টি নিয়ে থা
সারা দেশে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার অফিসে তল্লাশি চালানোর পরে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কেন্দ্র। তার পরেই কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় সক্রিয় রয়েছে এই সংগঠনের নেতা ও কর্মীরা। নাম বদল করে তারা চাঁদাও তুলছে। বিষয়টি নিয়ে থানাগুলিকে সতর্ক করেছে লালবাজার। এব্যাপারে গোয়েন্দাদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

কলকাতায় পিএফআই-এর কার্যকলাপ
নিষিদ্ধ ঘোষণা হওয়ার পরেও কলকাতায় কার্যকলাপ হজায় রেখেছে পিএফআই। এমনটাই গোয়েন্দা সূত্রে খবর। কোনও কোনও জায়গায় এনজিও-র মাধ্যমে, আবার কোনও কোনও জায়গায় মানবাধিকার সংগঠনের নামে কিংবা ছোট অপরিচিত কোনও সংগঠনের নামে কলকাতায় সক্রিয় রয়েছে পিএফআই-এর নেতা-কর্মীরা।

চলছে গোয়েন্দা নজরদারি
ভোল বদলে পিএফআই-এর কার্যকলাপ শুরু খবর আসতেই, নেতাদের ওপরে নতুন করে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু হয়েছে। এই সংগঠন যাতে কলকাতা ছাড়াও জেলাগুলিতে সক্রিয় হতে না পরে, তার জন্য নজরদারি চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা। পাশাপাশি দিওয়ালির আগে বিশেষ করে কলকাতায় যাতে কোনও রকমের নাশকতা চালাতে না পারে তার জন্য থানাগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে। কলকাতা ছাড়াও মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং উত্তর দিনাজপুর জেলা প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছে।
কলকাতা তথা রাজ্যে পিএফআই-এর নেতা কর্মীদের তালিকা তৈরির পাশাপাশি পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনার কথাও জানা গিয়েছে রাজ্য প্রশাসন সূত্রে।

গতমাসের শেষের দিকে তিলজলায় তল্লাশি
কেন্দ্রীয় সরকার পিএফআই এবং তাদের শাখা সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেছে। তবে তার আগে পিএফআই-এর বিরুদ্ধে দেশব্যাপী চল্লাশি চালানোর সময় কলকাতায় তিলজলায় পিএফআই-এর অফিসে তল্লাশি চালায় এনআইএ। সেই সময় সেই অফিস থেকে একটি খামের ভিতরে বেশ কয়েক হাজার টাকা এবং কতটাকা কাদের দেওয়া হয়েছে, সেই সংক্রান্ত নথি পান এনআইএ আধিকারাকরা।

তদন্তে ইডিও
পিএফআই-এর লেনদন নিয়ে তদন্ত শুরু করে ইডিও। তদন্তে দেখা গিয়েছে পিএফআই রিহ্যাব ফাউন্ডেশনের নামে দেশ-বিদেশ থেকে প্রচুর টাকা জোগার করেছে। হাওয়ালার মাধ্যমেও প্রচুর টাকা পৌঁছেছে নিষিদ্ধ ওই সংগঠনের কাছে। লেনদেন নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে ইডি একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে বেশ কয়েকলক্ষ টাকার সন্ধান পায়। এছাড়াও পিএফআই এবং রিহ্যাব ফাউন্ডেশনের নামে থাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকেও কোটি টাকার বেশি সন্ধান পেয়েছে। সংগঠনের কার্যকলাপ নিষিদ্ধ হওয়ার পর সক্রিয়তা বন্ধ হয়ে গেলেও, এনজিও-র নাম করে বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ।












Click it and Unblock the Notifications