RG Kar Hospital: আরজি কর কাণ্ডের জের, মহিলা নিরাপত্তায় ১৫ দফার নির্দেশিকা জারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের
আরজিকর হাসপাতালের ঘটনার পরে নড়ে চডে বসল কলকাতা পুলিশ। সরকারি হাসপাতাল এবং হোমে মহিলা নিরাপত্তায় জারি করা হয়েছে বিশেষ নির্দেশিকা। ১৫ দফায় নির্দেশিকা জারি করল কলকাতা পুলিশ। সেই নির্দেশিকা মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মহিলা নিরাপত্তায় ১৫ দফা নির্দেশিকা জারি করল পুলিশ তাতে বলা হয়েছে হাসপাতাল চত্ত্বরে সিসিটিভি বসাতে হবে। এবং সেগুলি ঠিকমতো কাজ করছে কিনা সেটা নজরে রাখতে হবে। কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের সতর্ক প্রহরায় থাকতে হবে। কোথাও মহিলাদের কোনও নিরাপত্তার অভাব থাকছে কিনা সেটা সুনিশ্চিত করে তৎপর হতে হবে।

ইতিমধ্যেই হাসপাতালে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ২ নিরাপত্তারক্ষীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কোন কোন সিসিটিভি খারাপ সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এবং যেগুলি খারাপ হয়ে গিয়েছে সেগুলি নতুন করে লাগানো হচ্ছে। পুলিশ ক্যাম্প বসানো হয়েছে হাসপাতালের ভেতরে। এবং ব্যাফ মোতায়েন করা হয়েছে। হাসপাতালে প্রত্যেকটি ফ্লোরে এবং ওয়ার্ডে সিসিটিভি ক্যামেরা ঠিক মতো কাজ করছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্তকারীরা জানিয়েছে তরুণী চিকিৎসকদে সেমিনার রুমে ঘুমন্ত অবস্থায় গলা টিপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। তারপরে তরুনীকে ধর্ষণ করে সে। পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে জানা গিয়েছে তরুণী যখন অর্ধমৃত তখন বারবার তরুণীকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত। তরুনীর পেটে মুখে ঘুসি মারা হয়। তরুণীর আচ্ছন্নতার সুযোগ নিয়েই তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে ।
পুলিশে কাজ না করলেও তার কাছে পুলিশের বাইক ছিল। জানা গিয়েছে ভবানীপুরে বাড়ি হলেও সেখানে থাকত না সে। উল্টো ডাঙায় পুলিশ ব্যারাকে অবৈধভাবে থাকত সেই সিভিক ভলেন্টিয়ার। পুলিশের একটি সংগঠনের সঙ্গে ভালোমতো যুক্ত ছিল সে। পুলিশের বাইক কীভাবে তার নামে অ্যালট করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
হাসপাতালের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে তৎপর হাসপাতাল কর্তপক্ষ। হাসপাতালের কর্মী এবং চিকিৎসকদের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। চুক্তিভিত্তিক এবং বেসরকারি কর্মীদের হাসপাতালে নির্দিষ্ট পোশাক পরে আসতে হবে। ডিউটি চলাকালীন আইকার্ড গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে। সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীদেরও পড়তে হবে নির্দিষ্ট পোশাক। এবং বেসরকারি নিরাপত্তা এজেন্সির কর্মকর্তাদের মেডিকেল কলেজে তলব করা হয়েছে।
এছাড়াও পুলিশের পক্ষ থেকেও একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। শহরের সব সরকারি হাসপাতালে এবং মহিলা হোস্টেলে নিরাপত্তায় কোনও গলদ রয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখতে হবে। নজরদারিতে ঘাটতি থাকলে সেটা বাড়াতে হবে। সরকারি হোমগুলিতেও একই ভাবে নজরদারি চালাতে হবে।
শহরের মহিলা চিকিৎসকদের সঙ্গেও যোগাযোগ বা়ড়াতে হবে। কেউ নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন কিনা সেটা খতিয়ে দেখতে হবে। স্কুল কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও একই কাজ করতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে্। মহিলা অফিসারদের এই বিশেষ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অপরাধ প্রবণ এলাকাগুলি চিহ্নিত করে সেখানে মহিলাদের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে। লালবাজারের পক্ষ থেকে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
শহরের মহিলা চিকিৎসকদের সঙ্গেও যোগাযোগ বা়ড়াতে হবে। কেউ নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন কিনা সেটা খতিয়ে দেখতে হবে। স্কুল কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও একই কাজ করতে হবে বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে্। মহিলা অফিসারদের এই বিশেষ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অপরাধ প্রবণ এলাকাগুলি চিহ্নিত করে সেখানে মহিলাদের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে। লালবাজারের পক্ষ থেকে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
এছাড়া পুলিশের উইনার টিমকে আরও সক্রিয় হয়ে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শহরের রাস্তায় সিসিটিভির সংখ্যা বাড়াতে হবে। হাসপালাত এবং মেডিকেল কলেজে মহিলা পুলিশ অফিসারদের পরিদর্শন বাড়াতে হবে। কোথাও কোনও সুরক্ষার কমতি থাকলে হাসপাতালের চিকিৎসক এবং কর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। হেল্পলাইন নম্বর নিয়ে সচেতন করতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications