শুধুই লুঠ নয়, প্রতিহিংসাও কাজ করেছে! খোঁজ মিলল অশোক শাহের মোবাইল ফোনের
একেবারে হাইভোল্টেজ এলাকায় ভর দুপুরে জোড়া খুন! আর তা সামনে আসার পর থেকেই ঘুম উড়েছে এলাকার মানুষের। তীব্র আতঙ্কে রয়েছেন এলাকার মানুষজন। তবে ঘটনার পর থেকেই এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এমনকি অভিশপ্ত ওই বাড়ির
একেবারে হাইভোল্টেজ এলাকায় ভর দুপুরে জোড়া খুন! আর তা সামনে আসার পর থেকেই ঘুম উড়েছে এলাকার মানুষের। তীব্র আতঙ্কে রয়েছেন এলাকার মানুষজন। তবে ঘটনার পর থেকেই এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এমনকি অভিশপ্ত ওই বাড়ির সামনেও মোতায়েন রয়েছে পুলিশ।
তবে ঘটনার প্রায় ৩৬ ঘন্টা কেটে গিয়েছে! কিন্তু এখনও পর্যন্ত ঘটনায় অভিযুক্তরা ধরা না পড়ায় প্রশ্ন উঠছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। যদিও খুব শিঘ্রই অভিযুক্তরা ধরা পড়বে বলে দাবি পুলিশের। তবে ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তিরি হয়েছে।

বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠে আসছে
তবে তদন্তে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠে আসছে। প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীরা মনে করেছিলেন লুঠের উদ্দেশ্যেই ভর দুপুরে গুজরাতি দম্পত্তিকে খুন করা হয়েছে। কিন্তু খুনের ধরন সেই সম্ভাবনাকে কার্যত খারিজ করে দিচ্ছে। কারণ গৃহকর্তাকে অন্তত সাত বার কপানো হয়েছে। আর তা ধারালো অস্ত্র দিয়েই। শুধু তাই নয়, ঘটনায় রশ্মিতা শাহের মাথার পিছনে গুলির চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন সেভেন এমএম পিস্তল দিয়ে এই খুন করা হয়েছে।

আততায়ীরা ওই দম্পত্তির পরিচিত?
আর এই খুনের ধরন দেখে তদন্তকারীরা বলছেন, শুধু লুঠের জন্যে আততায়ীরা আসেনি। ব্যাবসা নিয়ে কোনও প্রতিহিংসা ছিল। আর সেই হিংসা থেকেই এই হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিহিংসা না থাকলে এইভাবে সাতবার ধারালো অস্ত্র দিয়ে কপাবে না। তবে কীসের জন্যে প্রতিহিংসা! ব্যাবসা নাকি অন্য কিছু? সেটাই ভাবাচ্ছে পুলিশ আধিকারিকদের। শুধু তাই নয়, আততায়ী একজন নয়, একাধিক ছিল বলেও মনে করছেন আধিকারিকরা। এমনকি আততায়ীরা ওই দম্পত্তির পরিচিত বলেও দাবি পুলিশের আধিকারিকদের।

আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কারণ অভিশপ্ত বাড়ির দরজায় আইহোল ছিল। তা দেখেই সম্ভবত দরজা খোলেন পরিবার। এক্ষেত্রেও পরিচিত লোকজন কেউ দরজায় নাড়া দেয়। চিনতে পেরেই হয়তো শাহ দম্পত্তি দরজা খুলে দেয়। তবে আততায়ীদের মটিভ কিছুই জানতেন না তাঁরা। তবে আততায়ীরা একেবারে প্রস্তুত হয়েই এসেছিল বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ইতিমধ্যে আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উদ্ধার মোবাইল ফোন
মোবাইল লোকেশনও ট্র্যাক করা হচ্ছে। আর তা করে জানা যাচ্ছে মোবাইলটি ধর্মতলা চত্বরে রয়েছে। তবে কোথায় তা স্পষ্ট নয় যদিও। তবে এখানেও প্রশ্ন উঠছে। লোকেশন একই জায়গাতে স্থির থাকায় পুলিশ বিভ্রান্ত করার বিষয়টিও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। যদিও ইতিমধ্যে ধর্মতলার একটি জঞ্জাল ফেলার জায়গা থেকে অশোক শাহের মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করছে পুলিশ
ফলে এই মুহূর্তে পুলিশের তদন্তকারীদের কাছে বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে! তবে তাঁদের দাবি খুব শিঘ্রই জোড়া খুনের তদন্তের রহস্যের ফাঁস হবে।












Click it and Unblock the Notifications