বাংলাদেশে আলু পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ডাক! 'ধর্মঘট' হবে সীমান্তেও, হুঁশিয়ারি কার্ত্তিক মহারাজের
Bangladesh-Kolkata: বাংলাদেশে আলু পেঁয়াজ পাঠানো বন্ধ করে দিন! আর তা দিলে বাংলাদেশের কি দুর্বস্থা হবে ভাবতে পারছেন! ধর্মতলা থেকেই ঢাকাকে চরম হুঁশিয়ারি কার্ত্তিক মহারাজের। সীমান্তের ওপারে লাগাতার সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলার ঘটনা ঘটছে।
ভেঙে দেওয়া হচ্ছে একের পর এক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এমনকি কার্যত ষড়যন্ত্র করেই ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় দাস প্রভুকে আটকে রাখা হয়েছে সে দেশের জেলে। আর এই সমস্ত ঘটনার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার বৃহত সমাবেশের ডাক দেওয়া হয় ধর্মতলায় (Bangladesh-Kolkata)।

একাধিক হিন্দু সংগঠনের তরফে এই ডাক দেওয়া হয়। সেখানে যোগ দেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ একাধিক বিজেপি নেতা। তবে কারোর হাতেই এদিন দলীয় পতাকা ছিল না। কার্যত ধ্বজ এবং গেরুয়া বসন নিয়েই আন্দোলন হয়। সেই সভায় যোগ দেন ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের কার্ত্তিক মহারাজ।
আর সেই সভা থেকেই বাংলাদেশের পণ্য বয়কটের ডাক দেন (Bangladesh-Kolkata)। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আলু পেঁয়াজ বন্ধ করে দেওয়ারও আওয়াজ তোলেন। আর তাহলে কতটা যে খারাপ পরিস্থিতি হবে সে দেশে সেই ব্যাখ্যাও এদিন সভাস্থল থেকে ব্যাখ্যা করেন। একই সঙ্গে মনে করিয়ে দেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে ভারতীয় সেনা এবং ভারতের অবদানের কথাও। এই অবস্থায় অবিলম্বে বর্ডার সিল করে দেওয়ার ডাক দেন কার্ত্তিক মহারাজ। একই সঙ্গে নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহকেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার ডাক দেন।
এরপরেও যদি কোনও পদক্ষেপ না করা হয় এবং বাংলাদেশে চিন্ময় প্রভুকে না ছাড়া হলে সমস্ত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার ডাক দেওয়া হয় সনাতনি ওই মঞ্চ থেকে। বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশের ঘটনায় পথে নেমে বিক্ষোভ-আন্দোলন করছেন কার্ত্তিক মহারাজ। কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসে গিয়েও হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এসেছেন। এর পরেও ব্যবস্থা না নেওয়া হলে পশ্চিমবঙ্গে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে বলে ইতিমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
একই সঙ্গে কার্ত্তিক মহারাজ বর্ডার খুলে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, বর্ডার খুলে দিক কেন্দ্রীয় সরকার। সংখ্যালঘুদের আশ্রয় দেওয়া হোক'।












Click it and Unblock the Notifications