ছিল না দমকলের ছাড়পত্র, খারাপ অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থাও! কীভাবে বার-ডান্সবারে ছাড়? কেঁচো খুড়তেই বেরিয়ে এল কেউটে
Kolkata Hotel Fire Update: বড়বাজারের অভিশপ্ত হোটেলের ছিল না 'ফায়ার লাইসেন্স'। তিন বছর আগেই মেয়াদ শেষ হয়। নতুন করে আর লাইসেন্সের রিনিউ করার প্রয়োজন মনে করেনি হোটেল কর্তৃপক্ষ। শুধু তাই নয়, নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বার, ডান্স বার খোলা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ। ইতিমধ্যে হোটেলের ম্যানেজারকে আটক করেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদ। তবে ঘটনার সময় অর্থাৎ মঙ্গলবার রাতে ঘটনাস্থলে থাকলেও হোটেলের তিন মালিক পলাতক বলে জানা যাচ্ছে।
তিনজনকে ধরতে ইতিমধ্যেই ময়দানে নেমে পড়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল সিট। অন্যদিকে ঘটনাস্থলে (Kolkata Hotel Fire Update) পৌঁছেছে লালবাজারের হোমিসাইড শাখা এবং ফরেন্সিকের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। আগুন লাগার কারণ এবং সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে পুলিশের তরফে।

Kolkata Hotel Fire Update: দমকলের তরফে দায়ের এফআইআর
এদিন দমকলের তরফেও ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা হয়। ডিজি রণভীর কুমার (West Bengal Fire & Emergency Services DG Ranvir Kumar) সরজমিনে পরিস্থিতি দেখেন। পরে সাংবাদিকদের জানান, হোটেলের মধ্যেই নির্মাণ চলছে। এলাকা বড় করার চেষ্টা চলছিল। প্লাইউড থেকে শুরু করে একাধিক দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল। এমনকী যে সমস্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা সেখানে ছিল তাও কাজ করেনি। এমনকী সেগুলি মেয়াদ উত্তীর্ণ বলেও এদিন জানান দমকলের আধিকারিক।
আর তা বলতে গিয়ে রণভীর কুমার জানান, Fire Safety Certificate গত ২০১৬ সালে নেওয়া হয়। এরপর একবার করা হলেও গত তিনবছর কোনও রিনিউ করা হয়নি। ইতিমধ্যে হোটেল কতৃপক্ষের তরফে পুলিশে এফআইআর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দমকল আধিকারিক।
#WATCH | Kolkata | West Bengal Fire & Emergency Services DG Ranvir Kumar says, "A large area of around 100 square metres of the first floor was being renovated. They were probably trying to extend the area. For this, plywood and other combustible materials were stored there. Some… https://t.co/diL5qdtDCQ pic.twitter.com/U24PrzQCLp
— ANI (@ANI) April 30, 2025
বলে রাখা প্রয়োজন, অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলে 'ফায়ার অ্যালার্ম' বাজেনি। কাজ করেনি কোনও ব্যবস্থা। ইতিমধ্যে তা মেনে নিয়েছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। এমনকী জল সহ একাধিক পরিকাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। কিন্তু এরপরেও কীভাবে কাজ চলছিল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে বার চালানোর লাইসেন্স কীভাবে পায় তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। তাহলে এর পিছনে কি কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা বড় অঙ্কের টাকা খেলা আছে? আর সেই জোরেই দিনের পর দিন বেআইনি ভাবে ব্যবসা চলে, চাঞ্চল্যকর অভিযোগ স্থানিয় মানুষজনের।
যদিও সিটের তরফে সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে এই ঘটনায় ইতিমধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তলব করেছেন বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications