সিবিআই তদন্ত দাবি, কালিয়াগঞ্জে মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের পরিবারকে অনুমতি হাইকোর্টের
সিবিআই তদন্তের দবি জানিয়ে আদালতে মামলা করার অনুমতি চেয়েছিল মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের পরিবার। মঙ্গলবার হাইকোর্ট তার অনুমতি দিয়েছেন। বিচারপতি রাজশেখর মান্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের ভাই মৃণাল কান্তি বর্মন।
মামলা দায়ের অনুমতি দিলেন বিচারপতি। আগামীকাল শুনানির সম্ভবনা রয়েছে। এদিকে ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে সিআইডি। যে ২ রাউন্ড গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল পুলিশের বিরুদ্ধে। তার একটি গুলি মৃত্যুঞ্জয়ের শরীর ফুঁড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল। আরেকটি গুলির সন্ধানে আজ বিজেপি নেতা বিষ্ণু বর্মনের বাড়িতে পৌঁছেছে তদন্তকারীরা। গোটা এলাকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এর আগে পরিবারের পক্ষ থেকে কালিয়াগঞ্জ থানার এএসআইয়ের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের পরিবার রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। কালিয়াগঞ্জের পুলিশের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ করে বিজেপির পক্ষ থেকে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গ সফরের মাঝেই কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনা নিয়ে প্রথমে কালিয়াগঞ্জে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। রাজবংশী সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ দেখানো শুরু হয়। কালিয়াগঞ্জ থানায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় দোষীদের রেয়াত করা হবে না বলে বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তারপরেই পুলিশ রাতে অভিযান চালায় কালিয়াগঞ্জের রাধিকাপুরের বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য বিষ্ণু বর্মনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেসময় বাড়িতে ছিলেন না বিষ্ণু বর্মন। তাঁকে না পেয়ে তাঁ মংেয়ে জামাইকে হেফাজতে নিতে চায় পুলিশ। তাতে বাধা দিয়েছিলেন মৃত্যুঞ্জয় বর্মন। তারপরেই পুলিশ গুলি চালায় বলে অভিযোগ। বিনা প্ররোচনাতেই পুলিশ গুলি চালায় বলে অভিযোগ পরিবারের।

ঘটনার পরেই উত্তেজনা ছড়ায় রাধিকাপুরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। ইন্টারনেট পরিষেবাও সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশের পরেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। পরিবারের তরফ থেকেও এই ঘটনার জন্য বিজেপিকে দায়ী করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications