বাদ দিতে হবে মুখ্যমন্ত্রীর নাম, রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিকর মন্তব্যের মামলায় কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের
রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্যের মামলা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বাদ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন আইনজীবী।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অখিল গিরি। সেই নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বাদ দেওার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার এই নির্দেশ দেয়।

রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অখিল গিরি। তাই নিয়ে চরমে উঠেছিল রাজনৈতিক তরজা। দিল্লিতে থানায় পর্যন্ত অখিল গিরির নামে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। রাস্তায় নেমে রাজ্যে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন বিরোধীরা। রাজ্য বিধানসভাও এই নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছিল। অখিল গিরির পদত্যাগ এবং গ্রেফতারির দাবিতে সরব হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভাতেও এই দাবিতে সরব হয়েছিলেন তিনি। তারপরেই কলকাতা হাইকোর্টে অখিল গিরির নামে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু প্রথমেই অখিল গিরির এই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও জনস্বার্থ মামলায় তাঁর নাম যুক্ত করা হয়। সোমবার প্রধানবিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে সরকার পক্ষের আইনজীবী মুখ্যমন্ত্রীর নাম সরিয়ে নেওয়ার আর্জি জানান। তাতে সম্মতি জানিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। তারপরেই মুখ্যমন্ত্রীর নাম মামলা থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
স্মিতা সাহা দত্ত নামে এক আইনজীবী অখিল গিরির বিরুদ্ধে এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। তারপরেই অখিলগিরির আইনজীবী আদালতে অভিযোগ করেছেন, মামলাকারী বিজেপির আইনজীবী সেলের সদস্য। কাজেই িতনি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এই মামলা গায়ের করেছেন। তাই মামলার গ্রহনযোগ্যতা খতিয়ে দেখার আর্জি জানান তিনি। যদিও অখিল গিরি নিজে এই নিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। কিন্তু তার পরেও অখিল গিরিকে মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণের দাবিতে সরব হয়েছে বিজেপি। এই নিয়ে রাজ্য জুড়ে তুমুল অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications