Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

পশুরাজ সিংহই কেন দেবীর বাহন ? জেনে নিন

পশুরাজ সিংহই কেন দেবীর বাহন ? জেনে নিন

সকল দেবতারই বাহন থাকে। বাহন অর্থে আমরা বুঝি বহন করে নিয়ে যায় যে। কিন্তু তা সব ক্ষেত্রেই দেবতার আয়তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য পূর্ণ হয় না। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন আসে তা হলে এমন বাহন কেন হল। যেমন বলা যেতে পারে গণেশের ইঁদুর বাহন, কার্তিকের ময়ূর বাহন ইত্যাদি।

তেমনই দেবী দুর্গার বাহন সিংহ। আয়তন আর ক্ষমতায় সে প্রকৃতই দেবীকে বহন করে নিয়ে যাওয়ার পক্ষে উপযুক্ত ও যোগ্য। কিন্তু কেবল কি বহন করার জন্যই সিংহ বাহন। এর পেছনে আর কি কোনো কারণ নেই। জানব সেই বিষয়েই।

 সিংহ বাহন কী করে হল?

সিংহ বাহন কী করে হল?

কালিকাপুরাণ মতে শ্রীহরি দেবীকে বহন করছেন। এই হরি শব্দের এক অর্থ সিংহ। আবার শ্রীশ্রীচণ্ডীতে উল্লেখ আছে গিরিরাজ হিমালয় দেবীকে সিংহ দান করেন। শিবপুরাণ বলে, ব্রহ্মা দুর্গাকে বাহনরূপে সিংহ দান করেছেন। উদ্দেশ্য ছিল শুম্ভ ও নিশুম্ভ বধের সুবিধা। এই সব গেল পুরাণকথা।

যুক্তিবাদী বাস্তব ধারণা

যুক্তিবাদী বাস্তব ধারণা

এ ছাড়াও যুক্তিবাদী বাস্তব ধারণা থেকে যদি বাহনদের দেবদেবীর প্রতীক হিসাবে মনে করা যায়, তা হলেও দেখা যাবে দেবী দুর্গার সঙ্গে সিংহের স্বভাব প্রকৃতিগত অনেক মিল রয়েছে। সে ক্ষেত্রে সিংহকে দেবীর বাহ্য লক্ষণের সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে বোঝা যাবে দেবীর বাহন রূপে সিংহ কেন। দেবী নিখিল বিশ্বে সম্রাজ্ঞী। সিংহ পশু রাজ্যের সম্রাট। দেবী অস্ত্রধারিণী,সিংহও দন্ত-নখরধারী। দেবী জটাজুটযুক্ত, সিংহ কেশরযুক্ত। দেবী মহিষাসুরমর্দিনী, সিংহ মহিষের সঙ্গে যুদ্ধ বিজয়ী। সিংহের থাবায় এমন শক্তি যে এক থাবায় মহিষের খুলি মস্তক থেকে ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। সিংহ একটি মহাবীর্যবান পশু। দেবী সর্বশক্তিধারিণী।

আধ্যাত্বিকতার দিক থেকে

আধ্যাত্বিকতার দিক থেকে

আবার আধ্যাত্বিকতার দিক থেকেও বিচার করা যেতে পারে। অসীম শক্তিশালী সিংহের কাছে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে আত্মসর্মপণের। কারণ সে দেবীর পদতলে নিত্য শরনাগত। জীব মাত্রই পশু। পশু চায় পশুত্ব থেকে মুক্তি, চায় দেবত্বে উন্নীত হতে। তাই মাতৃচরণে আত্মসমর্পিত। সিংহ পশুশ্রেষ্ঠ হয়েও দেবশক্তির আধার হয়েছে শুধু দেবীর শরণাগতির প্রভাবেই।

অপর দিকে দেবীর লক্ষ্য লোককল্যাণ। সত্ত্বগুণময়ী মা রজোগুণোময়ী সিংহকে বাহন হিসাবে নিয়ন্ত্রণ করে লোকস্থিতি রক্ষা করছেন। রজোগুণের সঙ্গে তমোগুণের সমন্বয় ঘটলে লোককল্যাণ হয় না, হয় লোকসংহার। তাতে আসুরিকতা ও পাশবিকতার জয় হয়। এই পাশবিকতা ও আসুরিকতার সংহার করে, সমাজ কল্যাণকর কাজ করতে চাই রজোগুণাত্বক শক্তির সাধনা। তাই দেবী সত্ত্বগুণময়ী হয়ে রজোগুণাত্মক সিংহকে করেছেন বাহন, অর্থাৎ অনুগত আজ্ঞাবহ ভৃত্য।

মল্লভূমি শুধু স্বর্গ নয়

মল্লভূমি শুধু স্বর্গ নয়

তার মল্লভূমি শুধু স্বর্গ নয়, নয় শুধু দানব মধুকৈটভে। শব্দ দৈত্যকে জব্দ করে দূষণমুক্ত পৃথিবী সৃষ্টি হোক মাঙ্গলিক শক্তির মধ্যে দিয়ে । এই পৃথিবী হোক তার মল্লভূমি যেখানে তিনি দানব মধুকৈটভেরূপী মানুষদেরকে বিনাশ করতে পারেন। তিনি মহাশক্তির এক মহারূপ । আদ্যাশক্তি মহামায়ার এ কী সুন্দর ভয়ংকরী রূপ ! তিনি দুষ্টের দমন সৃষ্টির পালন করেন। তাই আমরা ভয়কে জয় করি অভয় মন্ত্র জপে 'দুগ্গ দুগ্গা' বলে । আমরা শান্তি খুঁজি দেবী আরাধনার একাগ্ৰতায়।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+