বিশ্বের ‘বড় দুর্গা’ সেই ঢেউ এখনও চলছে, দেশপ্রিয় পার্ক মানে নতুন কিছু, দেখুন ভিডিও
সব চরিত্র কাল্পনিক। এবার এই বিষয় ভাবনাতেই মাতৃ আরাধনায় ব্রতী বাদামতলা আষাঢ় সংঘ। শারদোৎসবে নয়া এই বিষয় ভাবনার মধ্য দিয়ে নারীর দুই রূপ তুলে ধরতে চাইছেন পুজো উদ্যোক্তারা।
তিনবছর আগে বিশ্বের সবথেকে বড় দুর্গা দর্শনের আশা জাগিয়েছিল দেশপ্রিয় পার্ক। সেই থেকেই বাঙালি দর্শনার্থীর মনে প্রতি বছরই নতুন আশা দক্ষিণ কলকাতার এই বড় পুজো মণ্ডপকে ঘিরে। তবে ২০১৫ ও ২০১৬-র বিতর্ক দূরে সরিয়ে এবার নতুন চমক দিতে চাইছে দেশপ্রিয় পার্ক। আর দেশপ্রিয় পার্কের পুজো যখন, তখন একেবারে ছাপোসা হয় নাকি, নিরাশ হবেন না দর্শনার্থীরা।

৮১ বছরের দুর্গাপুজোয় এবার এক টুকরো দক্ষিণ ভারতকে তুলে আনছে দেশপ্রিয় পার্ক। একটি মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। তার সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই প্রতিমা। উদ্যোক্তারা কিন্তু এর বেশি কিছু বলতে নারাজ। শুধু বলছেন, অপেক্ষা করুন, ঠিক সময়েই জানতে পারহেন দেশপ্রিয় পার্কের চমক। সাদামাটা নয়, রঙিন ভাবনার আতিশয্যই দেখা যাবে তাঁদের মণ্ডপে।
আসলে দেশপ্রিয় পার্ক মানেই ভিড়। শহর, শহরতলি, জেলার মানুষ কলকাতার এই মণ্ডপে ভিড় জমাবেনই। কেননা তাঁদের আশা, দেশপ্রিয় পার্ক আলাদা নতুন ভাবনা, নতুন বৈচিত্র্য। একেবারে পৃথক এক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ঘটাবেই দেশপ্রিয় পার্ক। তাই দেশপ্রিয় পার্কের ঠাকুর না দেখলে কলকাতা যাওয়াই বৃথা বলে মনে করলেন অনেক দর্শনার্থী।

উদ্যোক্তারা বলেন, প্রতিমা ও মণ্ডপ সজ্জার মধ্য দিয়ে এক অন্যরকম ভাবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটবে এবার। শুধু একটুকুই বলা যায়, সুন্দর একটি মন্দির দেখতে পাবেন দেশপ্রিয় পার্কে এলে। এখানে গেলে আপনার উপলব্ধি হবে- আপনি কলকাতায় নয়, আছেন সুদূর দক্ষিণের এক শহরে।
উদ্যোক্তাদের কথায়, এবার তাঁরা কারও সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নেই। তাঁদের প্রেরণা দর্শনার্থীরা। দর্শনার্থীদের নির্মল শান্তির এক পুজো ও মণ্ডপ উপহার দেওয়াই তাঁদের একমাত্র উদ্দেশ্য এবার। আমরা চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি বড়-ছোট সবার মন কেড়ে নেবে এই পুজো মণ্ডপ। বেনারসি-সজ্জায় সজ্জিত তাঁদের প্রতিমা দেখে চোখ সরাতে পারবেন না কেউ-ই।












Click it and Unblock the Notifications