করোনায় মৃতদের শেষকৃত্য কোথায়, কী সিদ্ধান্ত নিল পুরসভা
রাজ্যে তথা কলকাতায় করোনা ভাইরাসে মৃত্যু হওয়া দমদমের প্রৌঢে়র শেষকৃত্যে বাধা দিয়েছিলেন নিমতলার কিছু বাসিন্দা এবং শ্মশানের কর্মীরা। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে ওই প্রৌঢ়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
রাজ্যে তথা কলকাতায় করোনা ভাইরাসে মৃত্যু হওয়া দমদমের প্রৌঢে়র শেষকৃত্যে বাধা দিয়েছিলেন নিমতলার কিছু বাসিন্দা এবং শ্মশানের কর্মীরা। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে ওই প্রৌঢ়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। সূত্রের খবর অনুযায়ী সেই বাধা যাতে না তৈরি হয়, তার জন্য এদিন বৈঠক হয় কলকাতা পুরসভায়। সেখানেই এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শহরে প্রথম করোনায় মৃত্যু ২৩ মার্চ
সোমবার দুপুর ৩.৩৫-এ কলকাতায় প্রথম করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়। ৫৭ বছর বয়স্ক প্রৌঢ় পূর্ব রেলে কর্মরত ছিলেন। গতমাসের শেষের দিকে বিলাসপুর গিয়ে এমাসের ২ তারিখ কলকাতায় ফেরেন আজাদহিন্দ এক্সপ্রেসে। ১০ মার্চ থেকে তাঁর জ্বর শুরু হয়। শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় ১৬ মার্চ তাঁকে সল্টলেকের আমরিতে ভর্তি করানো হয়। নাইসেড ছাড়াও এসএসকেএম-এ ওই ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল।

নিমতলায় মৃতদেহ দাহ করতে বাধা
সোমবার রাত ১০ টা নাগাদ স্থানীয়রা নিমতলায় দেহ দাহ করতে বাধা দেন। খবর যায় কলকাতা পুলিশের কাছে। পরে তাদের হস্তক্ষেপেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
তার আগে মৃতদেহ শ্মশানে নিতে টানাপোড়েন চলে বেশ কিছুক্ষণ। সল্টলেকের কোনও শববাহী গাড়িই দেহ নিয়ে যেতে রাজি হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিধাননগর পুলিশ ও পুরসভার সহযোগিতায় দেহ নিয়ে যাওয়া হয় নিমতলা শ্মশানে। তার আগে দেহ ঠাণ্ডা ঘর থেকে বের করে কেমিক্যাল মাখিয়ে বিশেষ প্যাকেটে ঢোকানো হয়। শববাহী গাড়ির সঙ্গে যান স্বাস্থ্যভবনের এক কর্তা, চিকিৎসকরাও।

কলকাতা পুরসভার সিদ্ধান্ত
এদিন বিষয়টি নিয়ে কলকাতা পুরসভার তরফে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এবার শহরে করোনায় মৃত্যু হলে নিমতলা কিংবা কেওড়াতলায় নয়, ধাপায় পোড়ানো হবে মৃতের দেহ। অন্যদিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে বাগমারী কবরস্থানের একটি নির্দিষ্ট জায়গা এরজন্য আলাদা করে ঘিরে দেওয়া হবে। সেখানেই দেওয়া হবে কবর।












Click it and Unblock the Notifications