বাণিজ্য সম্মেলনে থাকবে টেলি জগৎ! লতাজিকে বঙ্গবিভূষণ দিতে না পারার আক্ষেপ মমতার
করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে শুরু হল চলচিত্র উৎসব। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই নজরুল মঞ্চে শুরু হল এই উৎসব। এবার উৎসবের অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা। এছাড়াও ছিলেন বাংলা সিনেমার একাধিক নায়ক-নায়িকরা। এমন
করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে শুরু হল চলচিত্র উৎসব। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই নজরুল মঞ্চে শুরু হল এই উৎসব। এবার উৎসবের অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা। এছাড়াও ছিলেন বাংলা সিনেমার একাধিক নায়ক-নায়িকরা। এমনকি ছিলেন টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও।

এবারে উৎসবে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় সিনেমা হলগুলিতে ১৬০ টি ছবি দেখানো হবে। দেশ-বিদেশের বহু সিনেমাই কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের মাধ্যমে এবার দেখানো হবে।
কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে একাধিক বিষয় তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বাংলার অর্থনীতিতে যথেষ্ট অবদান রয়েছে এই শিল্পক্ষেত্রের। শুধু তাই নয়, শিল্প ক্ষেত্রের মধ্য দিয়েও অর্থনীতি তৈরি হয় বলে জানান রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। আর এজন্যে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি।
মমতা বলেন, রাজ্যে প্রতিভার কোনও কমতি নেই। বাংলায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রয়েছে। পাহাড়, সমুদ্র, জঙ্গল-সব রয়েছে। বাংলায় সিনেমা শিল্পের উন্নতির বহু সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানান তিনি। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর মতে, বাংলার চলচিত্র বিশ্বের মধ্যে সেরা। আর সেরা বলেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এতগুলি সিনেমা জায়গা করে নিয়েছে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে আক্ষেপের সুরও ধরা পড়ে। গত কয়েকমাসের মধ্যে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, অভিষেক চট্টোপাধ্যায়, বাপ্পি লাহিড়ী সহ বিভিন্ন জনের প্রয়াণ ঘটেছে। আর সেই সমস্ত বিষয় উঠে আসে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা। বিশেষ করে মমতা এদিন বলেন, লতাজিকে বঙ্গবিভূষণ দিতে চেয়েছিলাম।
এমনকি মুম্বইয়ে গিয়েও দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তা না পারার আক্ষেপ ধরা পড়ে এদিন মমতার কথায়। শুধু তাই নয়, তিনি বলেন, উনি ভাইজিকে দিয়ে আমার জন্য মা কালীর একটা সোনার লকেট পাঠিয়েছিলেন।
পাশাপাশি বাংলা সিনেমার জন্যে রাজ্য সরকার যে সমস্ত কাজ করেছে সে বিষয়েও বক্তব্য তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে হবে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন। আর সেই সম্মেলনে বাংলার সিনেমা জগতের সমস্ত প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন বলে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
বলে রাখা প্রয়োজন, সত্যজিৎ রায়কে স্মরণ করেই এই বছর চলচ্চিত্র উৎসব। গোটা চত্বরকে সাজানো হয়েছে সত্যজিৎ রায়ের পোস্টারে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরেই 'অরণ্যের দিনরাত্রি' ছবির প্রদর্শন করা হয়। অন্যদিকে এদিন শত্রুঘ্ন সিনহাও তাঁর বক্তব্যে বাংলা সিনেমার বিষয়ে একাধিক বক্তব্য তুলে ধরেন। সত্যজিত রায়-মৃণাল সেনের কথাও উঠে আসে তৃণমূল সাংসদের কথায়।












Click it and Unblock the Notifications