সব ক্লাসেই আবশ্যিক ‘কন্যাশ্রীর স্বীকৃতি’, সর্বজনীন ভাবনায় সিলমোহর রাজ্যের
বিশ্বের দরবারে সেরা প্রকল্পের স্বীকৃতি আনার পর স্থির হয়েই গিয়েছিল মলাটবন্দি হচ্ছে কন্যাশ্রী। এবার চূড়ান্ত হল প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সমস্ত ক্লাসেই পড়তে হবে কন্যাশ্রীর স্বীকৃতির কথা।
রাষ্ট্রসংঘের স্বীকৃতিতে কন্যাশ্রী হয়েছে 'বিশ্বশ্রী'। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের সেই কন্যাশ্রীকে পাঠ্যপুস্তকে জায়গা করে দেওয়ার পরিকল্পনা আগেই নিয়েছিল সিলেবাস কমিটি। এবার স্কুলের সমস্ত ক্লাসেই পড়া বাধ্যতামূলক হল কন্যাশ্রীর স্বীকৃতি। সিলেবাস কমিটি-র সেই প্রস্তাবে সিলমোহর দিল রাজ্য সরকারও।
বিশ্বের দরবারে সেরা প্রকল্পের স্বীকৃতি আনার পর স্থির হয়েই গিয়েছিল মলাটবন্দি হচ্ছে কন্যাশ্রী। কোন বইয়ে তা স্থান করে নেবে তাও একপ্রকার চূড়ান্ত ছিল। এবার চূড়ান্ত হল প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সমস্ত ক্লাসেই কন্যাশ্রীর স্বীকৃতির কথা পড়ার বিষয়টি।

সিলেবাস কমিটি জানিয়েছে, মাধ্যমিকস্তর পর্যন্ত কন্যাশ্রী প্রকল্পটি পাঠ্যপুস্তকে ছিল। এবার সেই পাঠ্যের সঙ্গে যুক্ত হবে কন্যাশ্রীর স্বীকৃতির অংশটুকু। যে শ্রেণির পাঠ্যে নেই কন্যাশ্রী, সেই শ্রেণিতেও কন্যাশ্রীর স্বীকৃতি পাঠ্যসূচিতে যুক্ত হবে। কন্যাশ্রী কী, কী তার উপযোগিতা, কেন সেরা প্রকল্প হল- যাবতীয় বিষয় উল্লেখ থাকবে এই পাঠ্যে।
একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে কন্যাশ্রী নিয়ে প্রকল্প তৈরির বিষয়টিকে বিশেয গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে কন্যাশ্রীর স্বীকৃতি ও প্রকল্পটি প্রতি শ্রেণিতে রূপায়ণ করতে বদ্ধপরিকর। সমস্ত কিছুই চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে, সরকারের অনুমোদনও মিলেছে, এবার শুরু বাস্তবায়নের পালা। সবকিছু ঠিকঠাক চললে জানুয়ারি থেকে শিক্ষাবর্ষে ছাত্রছাত্রীদের পড়তে হবে কন্যাশ্রীর স্বীকৃতি।
বাংলার নারীশিক্ষায় আলো জ্বালিয়ে এসেছে কন্যাশ্রী। এই একটি প্রকল্পকে ঘিরেই আমূল পরিবর্তন এসেছে নারীশিক্ষায়। স্কুলছুটের সংখ্যা কমেছে। সবথেকে বড়কথা বাল্যবিবাহের হার কমানো সম্ভব হয়েছে এই প্রকল্পের সৌজন্যেই। তাই এই প্রকল্পের উপযোগিতা সমস্ত ছাত্রছাত্রীর জানা দরকার। সেই লক্ষ্যেই পাঠ্যপুস্তকে স্থান দেওয়ার পরিকল্পনা কন্যাশ্রীকে।












Click it and Unblock the Notifications