সিপিএমকে বিজেপি-র থেকে আলাদা করার প্রক্রিয়া শুরু! যা বললেন 'সাপ' খ্যাত জ্যোতিপ্রিয়
নেত্রীর ইঙ্গিত পেয়েই বিজেপির থেকে সিপিএমকে আলাদা করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল তৃণমূল কংগ্রেস। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বললেন সিপিএম-এর থেকে বিজেপি ভয়ঙ্কর। ওই দলের সবাই মিথ্যা কথা বলে।
নেত্রীর ইঙ্গিত পেয়েই বিজেপির থেকে সিপিএমকে আলাদা করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল তৃণমূল কংগ্রেস। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বললেন সিপিএম-এর থেকে বিজেপি ভয়ঙ্কর। ওই দলের সবাই মিথ্যা কথা বলে। হাবরায় এমনটাই অভিযোগ করলেন খাদ্যমন্ত্রী তথা উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল পর্যবেক্ষক।

ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মমতা
জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এই বয়ান বদল নিজেই শুরু করেননি। এর আগে ব্রিগেডের সমাবেশে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী তথা সিপিএম নেতা পিনারাই বিজয়নকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন বাম দলগুলিকেও।

মমতার পথেই জ্যোতিপ্রিয়
অতীতে সিপিএমকে আক্রমণের পর বয়ান বদল সম্পর্কে জ্যাতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, এর পিছনে রয়েছে বৃহত্তর স্বার্থ। দেশে সুপার এমারজেন্সি চলছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বিজেপিকে বড় শত্রু বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। বিজেপি দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

সিপিএমকে পিটিয়ে মারার নিদার দিয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয়
২০১১-তে ক্ষমতায় আসার পরপর সিপিএমকে গোখরো সাপের সঙ্গে তুলনা করে পিটিয়ে মারার নিদান দিয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জন্য বরাদ্দ করেছিলেন লাঠি, ঝাঁটা আর লাথি। সেই সময় জ্যোতিপ্রিয় রেয়াত করেননি সীতারাম ইয়েচুরি কিংবা প্রকাশ কারাতকেও। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেছিলেন, সিপিএম হল বিষধর সাপের মতো। সাপ ঘরে ঢুকলে যেমন ব্যবহার করেন, তাদের সঙ্গে তেমনই ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি।

সিপিএমকে গর্তে ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন অন্যরাও
শুধু জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকই নন, সিপিএমকে গর্তে ঢোকানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক বেচারাম মান্নাও। বলেছিলেন, সিপিএমের ঢাণ্ডা নেই বলে তারা মরে গিয়েছে ভাবলে চলবে না। বিষধর সাপের মতো গর্তে আছে। যে কোনও সময় বেরিয়ে ছোবল মারতে পারে। বের হওয়ার চেষ্টা করলে গর্তে ঢুকিয়ে দিতে হবে।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের অভিমত
এই গর্তে ঢোকানোর চেষ্টা করতে গিয়েই বিজেপির চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তৃণমূল। এমনটাই মনে করছেন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের একাংশ। সিপিএম নেতৃত্ব যখন আক্রান্ত কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে পারেননি, সেই সময় দলে দলে সিপিএম কর্মীরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। শক্রি বেড়েছে বিজেপির। এখন সেই বিজেপির আক্রমণের মুখেই পড়ছে তৃণমূল। ফলে সেই সিপিএম-কেই আমন্ত্রণ জানাতে বাধ্য হচ্ছে তৃণমূল। বলছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।












Click it and Unblock the Notifications