এসএসসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিচারপতির, ৬১ জনের বেতন নেওয়ার অধিকার নেই
এসএসসি মামলায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য কলকাতা হাইকোর্টের। অবস্থান সন্তোষজনক নয় এমনই মনে করছে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু ভট্টাচার্য একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। এসএসসির ভূমিকা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। কমিশনকে একাধিক প্রশ্নের সামনে পড়তে হয়েছে।
সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চে এসএসসির মামলার শুনানি ছিল। নবম দশমের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে এসএসসি। কিন্তু কোনওভাবেই বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ এসএসসির বক্তব্যকে মান্যতা দিতে চায়নি। কমিশনের মত সন্তোষজনক নয়। এমনই জানানো হয়েছে।

কেবল নবম দশম কেন? অন্য গ্রুপ কোথায়? এই প্রশ্ন বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ করেছে। বাছাই কমিটি নিয়োগে কোনও অনিয়ম কি পেয়েছে? এই প্রশ্ন আদালত করেছিল। কমিশন সেই অনিয়মের কথা স্বীকার করে নিয়েছে। অনিয়ম খোঁজার পরে আদালতের নির্দেশে কাজ করা হয়েছে। এমনই বক্তব্য কমিশনের। যদিও এই বক্তব্য খুব একটা গ্রহণ করতে চাইছে না বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ।
বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার জন্য আরও একবার কমিশনকে সময় দিল আদালত। আগামী পরশু দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে কমিশন। ২০ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানি। গত প্রায় এক মাস ধরে আমরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছ থেকে সাহায্য চাইছি। কিন্তু আমরা বলতে বাধ্য হচ্ছি যে আপনারা কিছু লুকাতে চাইছেন। এমনই মন্তব্য বিচারপতি দেবাংশু বসাকের।
কাদের কমিশন সুপারিশ পত্র দিয়েছিল? তার প্রেক্ষিতে কারা নিয়োগপত্র পেয়েছিল? সেটা প্রথমে জানা দরকার। যদি দেখা যায় যে কমিশন যাদের সুপারিশ করেছিল। তাদের ছাড়া অন্য ব্যাক্তিরা নিয়োগপত্র পেয়েছেন। তাহলে সেটা খতিয়ে দেখার জন্য সিবিআই দরকার নেই। মন্তব্য বিচারপতির।
যাদের সুপারিশ পত্র দেওয়া হওয়া হয়েছিল তাদের ছাড়া কাউকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। এদিন জানিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। কমিশনের দাবি, নবম - দশমের ক্ষেত্রে ১৮৩ জনের সুপারিশপত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে গলদ ছিল। তাদের মধ্যে ১২২ জনের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বাকি ৬১ জনের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করেননি কেন ? আদালত বারণ করেছিল ? সুপ্রিম কোর্টের কোনও স্থগিতাদেশ আছে ? হাইকোর্টের কোনও স্থগিতাদেশ আছে ? এমনই পর পর প্রশ্ন ধেয়ে আসে বিচারপতির।এই ৬১ জনের রাজ্যের বেতন ভোগ করার কোন অধিকার নেই। এমনই মন্তব্য বিচারপতির।
কমিশনের চেয়ারম্যান আশঙ্কা করছেন, এমন করলে তিনি আদালত অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত হবেন। সওয়াল কমিশনের আইনজীবী। তাঁকে সম্মুখীন হতে দিন। এটা চেয়ারম্যামের কাছে নতুন কিছু নয়। মন্তব্য বিচারপতির। র্যাঙ্ক জাম্পিং ও ওএমআর শিট বিকৃত করা ছাড়া আর কি কি অভিযোগ ছিল ? প্রশ্ন বিচারপতির। প্যানেলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও সুপারিশপত্র দেওয়া হয়েছে এই অভিযোগ ছিল। জানায় কমিশন।












Click it and Unblock the Notifications