'রাত ১২ টা ১৫ পর্যন্ত চেম্বারে অপেক্ষা করব', সুপ্রিম নির্দেশের পরেই মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের
সুপ্রিম কোর্টের সেক্রেটারি জেনারেলের কাছ থেকে ইন্টারভিউয়ের ট্রান্সক্রিপশন (অনুবাদ) কপি চেয়ে পাঠালেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একই সঙ্গে রেজিস্ট্রার জেনারেলের রিপোর্টের কপিও জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।
রাত ১২ টার মধ্যেই পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন। স্বচ্ছতার কারণেই ইন্টারভিউয়ের ট্রান্সক্রিপশন (অনুবাদ) কপি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় চেয়ে পাঠিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি রাত ১২:১৫ পর্যন্ত চেম্বারে অপেক্ষা করবেন বলে জানিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় ইতিমধ্যে সামনে এসেছে। নির্দেশ অনুযায়ী নিয়োগ দুর্নীতির সমস্ত মামলা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে সরাতে হবে। এই নির্দেশ সামনে আসার পর দুপুর আড়াইটের পর কলকাতা হাইকোর্টে নিজের এজলাসে এসে বসেন বিচারপতি।
আর এরপরেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের প্রতিলিপি চেয়ে পাঠান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আর এরপরেই কুণাল ঘোষ প্রসঙ্গ তোলেন। বলেন, কুণাল ঘোষকে প্রনাম জানাব। কারণ তিনি যা ভবিষ্যত বাণী করেছিলেন আজ তা মিলে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনি এত বড় ভবিষ্যৎ দ্রষ্টা সেটা আমার জানা ছিল না বলেও মন্তব্য বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের। পালটা অবশ্য বিচারপতিকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন কুণাল ঘোষও।
অন্যদিকে সুপ্রিম নির্দেশ সামনে আসার পরেই আজ শুক্রবার কোনও প্রাথমিক শিক্ষকের মামলা শুনছেন না বিচারপতি। সমস্ত মামলা সরানোর নির্দেশ সুপ্রিম কোর্ট দিয়েছে নাকি কোনও নির্দিষ্ট মামলা তাঁর বেঞ্চ থেকে সরানো হয়েছে সে বিষয়ে একটা ধোঁয়াশা রয়েছে। আর তাই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের দিকেই এখন তাকিয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আর তাই আজ কোনও মামলা শুনছেন না বলেই জানা গিয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলা বিচারপতির বেঞ্চ থেকে সরানোর কথা সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ লেখার সময় বলেছে বলে শুনেছেন তিনি। ফলে একটা ধোঁয়াশা রয়েছে। ফলে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এই বিষয়ে কি নির্দেশ দিয়েছেন সেদিকেই নজর সবার।
উল্লেখ্য, তবে সুপ্রিম কোর্টের এহেন নির্দেশ সামনে আসার পরেই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে যে সব রায় দিয়েছে সেগুলির ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা থেকে সুপ্রিম নির্দেশে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের সরে যাওয়া বড় ধাক্কা হিসাবেই দেখছেন অসংখ্য চাকরিপ্রার্থী। এই বিষয়ে সুপ্রিমের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও ভাবছেন চাকরি প্রার্থীরা।












Click it and Unblock the Notifications