ফের মানবিকতার নিদর্শন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের, এজলাস থেকেই জেলা জজকে ফোন
ফের একবার মানবিকতার নির্দশন রাখলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এজলাস থেকেই ফোন করলেন জেলা জজকে। পূ্র্ব মেদিনীপুরের জেলা জজকে ফোন করে ১৫ বছরের অবিভাবক সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিলেন তিনি। আবার একবার
ফের একবার মানবিকতার নির্দশন রাখলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এজলাস থেকেই ফোন করলেন জেলা জজকে। পূ্র্ব মেদিনীপুরের জেলা জজকে ফোন করে ১৫ বছরের অবিভাবক সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিলেন তিনি। আবার একবার কুর্নিশ আদায় করে নিলেন তিনি।
বরুণ প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকা শিউলি বর্মন ২০২০ সালের অগাস্ট মাসে প্রয়াত হন। তাঁর এক পুত্র সন্তান রয়েছে। শিউলিদেবীর পুত্র সন্তানের বয়স বর্তমানে ১৫ বছর। বর্তমানে সে দাদুর কাছে থাকে। সমস্যা হল শিউলিদেবীর মৃত্যু সময় পর্যন্ত স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছিল।

শিউলিদেবীর বাবা জীবনানন্দ বর্মনের দাবি, শিউলি দেবীর স্বামী তাঁর সন্তানকে দেখাশোনা করতে চাইছেন না। তাতেই সমস্যা প্রকট হয়েছে। তাই শিউলিদেবীর পেনশন যাতে তাঁর সন্তানকে দেওয়া হয়, সেই আবেদন নিয়ে আদালতে আসেন শিউলিদেবীর বাবা জীবনানন্দ বর্মন।
বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রশ্ন, নাতির অভিভাবকত্ব চেয়ে কোনও মামলা কি জীবনানন্দ বর্মন করেছেন। তার উত্তরে জীবনানন্দ বর্মনের আইনজীবী জানান, মামলা তিনি করেছেন। পূর্ব মেদিনীপুরের নিম্ন আদালতে তা বিচারাধীন রয়েছে। তারপর সটান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ফোন করেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা জজকে।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জেলা জজের উদ্দেশে বলেন, এই মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করুন। কারণ এটি একটি নাবালকের অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত মামলা। তাঁর ভবিষ্যতের ব্যাপার। অতএব এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিচার করার দরকার। এবার দ্রুত নিষ্পত্তি করা দরকার। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, আপনিও নিশ্চয় একইরকম ভাবছেন। তাই আমি আশা করছি এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি ঘটাবেন।
এরপর মামলাকারীর আইনজীবী সব্যসাচী ভট্টাচার্য জানান, মায়ের চাকরির অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধা যেন সন্তান পায়, সেই আবেদন নিয়ে হাইকোর্টে মামলা হয়েছে। পূ্র্ব মেদিনীপুর জেলা আদালয়ে সেই মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সেই মামলার সঙ্গে হাইকোর্টের মামলা সম্পর্কিত। তাই শিউলিদেবীর সন্তানের অভিভাবক কে হবেন, সেই মামলার দ্রুত সমাধান হওয়া দরকার।
আর সে কারণেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ফোন করেন জেলা জজকে। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এই মর্মে সুনাম রয়েছে। তিনি এই ধরনের মামলা মানবিক স্বার্থে গ্রহণ কেন। এবং আইনের ঊর্ধ্বে উঠে ফয়সালা করার চেষ্টা করেন। এক্ষেত্রেও তেমন উদ্যোগ নিলেন। নাবালকের অভিভাকত্বের প্রশ্নের দ্রুত সমাধান চাইলেন। সে জন্য তিনি জেলা জজকে এজলাস থেকেই ফোন করে সমাধন করতে বললেন।












Click it and Unblock the Notifications