ববিতা সরকারের পর প্রিয়ঙ্কা সাউ! একমাসের মধ্যে বাড়ির কাছের স্কুলে SSC-কে চাকরির নির্দেশ হাইকোর্টের
গত সপ্তাহেই সামনে এসেছিল প্রিয়ঙ্কা সাউয়ের বিষয়টি। তাঁর থেকে কম নম্বর পাওয়া ব্যক্তি চাকরি পেলেও তিনি পাননি, এই অভিযোগ প্রিয়ঙ্কা করেছিলেন হাইকোর্টে। তাঁর মামলাটিও উঠেছিল বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলির বেঞ্চে। সেই সময় বিচারপ
গত সপ্তাহেই সামনে এসেছিল প্রিয়ঙ্কা সাউয়ের বিষয়টি। তাঁর থেকে কম নম্বর পাওয়া ব্যক্তি চাকরি পেলেও তিনি পাননি, এই অভিযোগ প্রিয়ঙ্কা করেছিলেন হাইকোর্টে। তাঁর মামলাটিও উঠেছিল বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলির বেঞ্চে। সেই সময় বিচারপতি গাঙ্গুলি এসএসসি এবং প্রিয়ঙ্কার আইনজীবীকে বলেছিলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দিতে। এদিন রিপোর্ট জমা পড়ার পরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এসএসসি চাকরি দিতে নির্দেশ দেন।

সময় সীমা বেঁধে দিয়েছেন
এদিন বিচারপতি গাঙ্গুলি তাঁর নির্দেশে এই নিয়োগ সংক্রান্ত ব্যাপারে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। একদিকে তিনি যেমন বলেছেন একমাস সময় অর্থাৎ ২৮ অক্টোবেরর মধ্যে প্রিয়াঙ্কা সাউকে নিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে তিনি প্রিয়ঙ্কা সাউয়ের কাউন্সেলিংয়ের জন্য ১১ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছেন।

বাড়ির কাছের স্কুলে সুযোগ দিতে হবে
সঙ্গে তিনি নির্দেশে বলেছেন, প্রিয়ঙ্কা সাউকে বাড়ির কাছের স্কুলে পোস্টিং দিতে হবে। এব্যাপারে প্রিয়ঙ্কা তিনটি পঠন্দের স্কুল বেছে দেবেন, তার মধ্যে থেকে একটি স্কুলে এসএসসি চাকরি দেবে তাঁকে। প্রসঙ্গত প্রিয়ঙ্কা সাউ একাদশ-দ্বাদশের ইংরেজি শিক্ষিকার পদপ্রার্থী।

আদালতে অভিযোগ
প্রসঙ্গ প্রিয়ঙ্কা সাউ আদালতে করা অভিযোগে বলেছেন, ২০১৭-র মেধাতালিকা অনুযায়ী মহিলা ক্যাটেগরিতে তাঁর ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছিল। তিনি সেখানে ওয়েটিং লিস্টে চলে যান। কিন্তু মহিলা-পুরুষ বিভাগে তাঁর থেকে কম নম্বর পাওয়া প্রার্থীর চাকরি হলেও, তাঁর চাকরি হয়নি। এব্যাপারে অভিযোগ পাওয়ার পরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এসএসসি এবং প্রিয়ঙ্কা সাউয়ের আইনজীবীদের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেন। আদালতকে একসপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেন তিনি। সেই সময় বিচারপতি গাঙ্গুলি বলেছিলেন, পুজোর আগেই চাকরি দিন।

এসএসসি জানায় কোনও অসুবিধা নেই
গত ২৬ সেপ্টেম্বর এসএসসির চেয়ারম্যান আদালতকে জানান, হাইকোর্ট নির্দেশ দিলে প্রিয়ঙ্কা সাউকে চাকরি দিতে অসুবিধা নেই। আর ২৯ সেপ্টেম্বর বিচারপতি গাঙ্গুলি একমাস সময়সীমা বেঁধে দিয়ে প্রিয়ঙ্কা সাউকে চাকরি দিতে নির্দেশ দেন।
এই মামলা নিয়ে মন্ত্রীর মেয়ের চাকরি বাতিল করে চাকরি পাওয়া ববিতা সরকার বলেছেন, মেধার ভিত্তিতে কারচুপি হয়ে থাকলে প্রিয়ঙ্কা সাউ যোগ্য প্রার্থী। প্রিয়ঙ্কার এই নিয়োগের নির্দেশকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত ববিতা সরকার ২০১৬ সালে এসএসসির পরীক্ষা দিয়েছি্লেন, ২০১৭-তে ফল বেরোয়। এসএসসির প্রথম মেধা তালিকায় মন্ত্রী কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীর কোনও নাম না থাকলেও , ববিরাতর নাম ছিল ২০ নম্বরে। কিন্তু এসএসসির দ্বিতীয় মেধা তালিকায় প্রথমে নাম চলে আসে অঙ্কিতার আর ববিতার নাম এক পিছিয়ে হয়ে যায় ২১। তারপর থেকেই আইনি লড়াই শুরু করেন ববিতা। অবশেষে হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি যায় মন্ত্রী কন্যা অঙ্কিতার। চাকরি পান ববিতা সরকার।












Click it and Unblock the Notifications