আলোচনায় বসলেও অবস্থান বিক্ষোভ চলবে, সকাল থেকে খাবার নিয়ে হাজির নাগরিক সমাজ
রাত গড়িয়ে সকাল। বৃষ্টি মাথায় করেও টলেননি আন্দোলনকারীরা। রাতভর রাস্তাতেই কাটিয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। নবান্নের ইমেলে সাড়া না দিয়েই আন্দোলনে অনড় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে নাগরিক সমাজও।
সকাল থেকেই আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের কাছে খাবার পৌঁছে দিচ্ছে বিভিন্ন সংগঠন। পাইরুটি, ডিমসিদ্ধ থেকে শুরু করে কেক বিস্কুট চা জল টিফিন নিয়ে হাজির হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে একাধিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। এমনকি সিনিয়র চিকিৎসকদের পক্ষ থেকেও দেওয়া হয়েছে খাবার-জল। জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা জারি রেখেছেন তাঁরা।

গতকাল বিকেল থেকে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে ধর্নায় বসেছেন জুনিয়ার ডাক্তাররা। তাঁদের পাঁচ দফা দাবি করেছে। সেই দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন জারি রাখবেন বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন। নবান্ন থেকে তাঁদের ইমেল পাঠিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু তাতে সাড়া দেননি আন্দোলনকারীরা। তাঁরা জানিয়েছেন ৫ দফা দাবি না মানা পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে এসে দাঁড়ান নির্যাতিতার পরিবার। মধ্যরাতেই নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের পরিবার হাজির হয়ে গিয়েছিলেন সেখানে। তাঁরা আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। রাতভর বৃষ্টি মাথায় করেই রাস্তায় কাটালেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সকাল থেকে তাঁদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন সাধারণ মানুষ। আন্দোলনকারীদের জন্য খাবার নিয়ে হাজির বিভিন্ন সংগঠন, ক্লাবের প্রতিনিধিরা। এমনকী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও হাজির হয়ে গিয়েছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারাও তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। এবং তাঁদের জন্য খাবার নিয়ে এসেছেন।
পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তার পদত্যাগ সহ পাঁচ দফা দাবি রেখেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। আলোচনায় বসতে রাজি তবে আন্দোলন জারি রাখবেন বলে জানিয়েছেন। কোনও ভাবেই আন্দোলন থেকে তাঁরা সরে আসবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। নবান্নকে পাল্টা ইমেল করে জানিয়ে দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এদিকে চিকিৎসকদের আন্দোলনে চাপ বাড়ছে শাসকের উপরে।












Click it and Unblock the Notifications