Jogesh Chandra Chaudhuri College: পুলিশি ঘেরাটোপে সরস্বতী এলেন যোগেশচন্দ্র কলেজে, ‘জাস্টিস’ চেয়ে তুমুল বিক্ষোভ
Jogesh Chandra Chaudhuri College: দেখলে মনে হবে ছাত্র সংসদ নির্বাচন চলছে। কিন্তু না, কড়া পুলিশি পাহারায় সরস্বতী পুজো (Saraswati Puja) হল কলকাতার যোগেশ চন্দ্র চৌধুরী কলেজে। হাইকোর্টের নির্দেশে কলেজের বাইরে বন্দুক হাতে পাহারা পুলিশের। আইকার্ড দেখে পড়ুয়াদের প্রবেশে অনুমতি। আর পুজোর মাঝেই ফের বহিরাগত প্রবেশের অভিযোগে বিক্ষোভ কলেজের ভেতরে।
যোগেশ চন্দ্র চৌধুরী কলেজের ল বিভাগ ও ডে বিভাগের সরস্বতী পুজোয় বেনজির সংঘাত। হাইকোর্টের নির্দেশে কলেজের ভিতরে চলছে আইন বিভাগের পুজো। ডে বিভাগের পুজো হচ্ছে কলেজের পাশের গলিতে। কিন্তু পুজোর দিনেও কলেজের ভিতরে বহিরাগত প্রবেশের অভিযোগ আইন বিভাগের পড়ুয়াদের একাংশের। বহিরাগতর ঢুকে ধর্ষণের হুমকি পর্যন্ত দিচ্ছে বলে অভিযোগ ছাত্রীদের।

মূলত ডে কলেজের প্রাক্তনীদের একাংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ল বিভাগের ছাত্রীদের। অনেকদিন আগে পাস আউট হওয়া পড়ুয়ারা এসে হুমকি দিচ্ছে বলে দাবি। ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। মূলত বহিরাগত হিসেবে তৃণমূল কর্মী সাবির আলির বিরুদ্ধে অভিযোগ ল বিভাগের পড়ুয়াদের।
এদিন কলেজে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও তৃণমূল সাংসদ মালা রায়। ল কলেজের অধ্যক্ষের ঘরে যান ব্রাত্য বসু। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হলে অধ্যক্ষের ঘরে বিক্ষোভকারীদের ৪ প্রতিনিধিকে ডেকে নিয়ে যান ব্রাত্য। কথা বলে তাদের সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করেন।
এদিকে ক্যাম্পাসের ভেতরেই সমস্বরে উই ওয়ান্ট জাস্টিস স্লোগান দিতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। ক্যাম্পাসে নিরাপদ নই বলে দাবি করেন ল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। নিজের কলেজেই এমন ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কলেজ থেকে বেরিয়ে এদিন মালা রায় বলেন, "৬ বা ৭ তারিখে পড়ুয়াদের নিয়ে বৈঠক করা হবে। গভর্নিং বডির প্রেসিডেন্ট হিসেবে কিছু শুনতে হল শুনব। কিন্তু পুজোর দিনে উই ওয়ান্ট জাস্টিস শুনব না।"
রাজনীতি করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারিও দেন মালা। বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী পুজোতে এত উৎসাহ দেন। কাদের সংঘাত জানা নেই, এর আগে কোনও বক্তব্য কেউ জানাননি। ৬ বা ৭ তারিখ কলেজে এসে কথা বলে নেব।"
মালা আরও জানান, "ডে গ্রুপ সংঘাতে যেতে চায়নি। শান্তি বজায় রাখতে আলাদা জায়গায় পুজো করতে বাধ্য হয়েছে ডে গ্রুপ। অন্য দলের রাজনৈতিক মনোভাবাপূর্ণ কিছু লোক চাইছে অশান্তি করতে।" এদিকে অভিযুক্ত সাবির আলি বলেন তিনি তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী। কলেজে তিনি প্রবেশই করেননি। কলেজের প্রাক্তনী ও বহিরাগত বলার মধ্যে তফাৎ রয়েছে বলে জানান সাবির। সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন ব্রাত্য বসুও।












Click it and Unblock the Notifications