প্রার্থীরা চাকরির জন্য বাড়ির সামনে, কোন সুরাহা করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?
দুই দিন ধরে হাইকোর্টে যাননি তিনি। সল্টলেকের বাড়িতেই ছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই বাড়িতেই হাজির হলেন চাকরিপ্রার্থীরা। যোগ্য প্রার্থীরা চাকরি পাচ্ছেন না। সময় পেরিয়ে যাচ্ছে। এমনই বক্তব্য চাকরিপ্রার্থীদের।
২০১৬ সালের এসএলএসটি চাকরি প্রার্থীদের অনেক জন বিচারপতির বাড়ির সামনে এদিন পৌঁছে যান। বিচারপতি নীচে নেমে এসে তাঁদের সঙ্গে দেখা করেন। বিচারপতি তাদের কথা শুনে কাউকে ফোন করেন। ওই চাকরি প্রার্থীদের মামলা বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর এজলাসে বিচারাধীন। সেই কথা বলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানান, তাদের হয়ে যে আইনজীবী মামলা লড়ছেন, তার সঙ্গে কথা বলা উচিত। সেই আইনজীবী মামলার গতিপ্রকৃতি বলতে পারবেন। সেইসময় চাকরি প্রার্থীরা বলেন, তাদের কাছে মামলা লড়ার অর্থ নেই। চাকরি নেই। আর তাদের টাকাকড়ি নেই।
এই কথা শুনে পালটা পরামর্শ দেন বিচারপতি। লিগ্যাল এইড সেলে তাদের যেতে বলা হল। সেখান থেকে নিখরচায় তাদের আইনজীবী দেওয়া হবে। সেই আইনজীবীর মাধ্যমে তারা মামলা লড়ুক। আদালতে আসার পরামর্শও দিলেন তিনি।
বুধবার বিকেলের পর সল্টলেকে বিচারপতির বাড়ির সামনে চাকরিপ্রার্থীরা চলে যান। তাদের সঙ্গে একটি ফ্লেক্স ছিল৷ সেখানে লেখা ছিল, 'আমরা ভগবান দর্শনে এসেছি। ভগবান আমাদের উদ্ধার করুন।' কয়েক জনের সঙ্গে প্ল্যাকার্ডও ছিল৷ অনেকেই কাঁদতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তারা বঞ্চিত। এমন কথাও শোনা যায়। রাস্তায় বসে কাঁদতে শুরু করেন কয়েকজন।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বাইরে এসে কথা বলেন। আশ্বস্ত করেন চাকরি প্রার্থীদের। তবে তাদের বিচারপতির বাড়িতে কে পাঠিয়েছেন? সেই প্রশ্নও করে ফেলেন তিনি। তাদের কেউ পাঠায়নি। তারা নিজের ইচ্ছাতেই বিচারপতির বাড়ির সামনে আসেন। এমন কথাই বলেন চাকরি প্রার্থীরা।
চাকরি প্রার্থীরা বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে এসেছেন। এই খবর যায় বিধাননগর থানাতেও। পুলিশ কর্মীরা সেখানে নিরাপত্তার জন্য পৌঁছে যান। যদিও কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সেখানে তৈরি হয়নি। বিচারপতি সকলের কথা গুরুত্ব দিয়েই শোনেন।












Click it and Unblock the Notifications