BBD Bag Gun shop: কার্তুজকাণ্ডে আতশকাচের তলায় বিবাদী বাগের অস্ত্রের দোকান, বসিরহাট থেকে গ্রেফতার আরও ১
BBD Bag Gun shop: দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলায় (Jibantala PS) ১৯০ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারকাণ্ডে স্ক্যানারের তলায় বিবাদী বাগের অস্ত্রের দোকান। শনিবার বিকেলে সেখানে তদন্তে যায় বেঙ্গল এসটিএফ (Bengal STF)। ইতিমধ্যেই দোকান সিল করে দিয়েছে তারা। এদিকে, কার্তুজকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ১। বসিরহাট থেকে ফারুক মালিক নামে একজনকে গ্রেফতার করল এসটিএফ।
শনিবার জীবনতলা থানার ঈশ্বরীপুর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ওই বিপুল পরিমাণ কার্তুজ। ১৯০ রাউন্ড কার্তুজের পাশাপাশি সেভেন এমএম পিস্তল, একটি ডবল ব্যারেল বন্দুকও উদ্ধার করেছে এসটিএফ। গ্রেফতার করা হয় ৪ জনকে। রবিবার ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫ জন। ধৃত ফারুক মালিকের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ডবল ব্যারেল গান।

ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন বিবাদী বাগের অস্ত্রের দোকানের এক কর্মীও। দীর্ঘ ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই দোকানে কাজ করছেন তিনি। নদিয়ার শান্তিপুরের বাসিন্দা জয়ন্ত দত্ত। সূত্রের খবর, বিবাদী বাগের ওই দোকানের রেজিস্টারে প্রচুর গরমিল মিলেছে। কার্তুজের স্টকের সঙ্গে মিলছে না রেজিস্টার। এসটিএফ সূত্রে খবর, বৈধ অস্ত্রের দোকান থেকেই দুষ্কৃতীদের হাতে পোঁছে যেত কার্তুজ।
অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরিতে তৈরি ১৯০ রাউন্ড কার্তুজ মিলেছে জীবনতলায়। এদিন ধৃত ফারুক মোল্লাও লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও ডবল ব্যারেল গান কিনেছিল। বিবাদী বাগের অস্ত্র দোকানে একই ধরনের ডবল ব্যারেল গান রয়েছে। কার্তুজের পাশাপাশি কি তবে এই গানও বিক্রি হয়েছিল?
কেন হিসেবে গরমিল খতিয়ে দেখেনি দোকান কর্তৃপক্ষ? আগামিকাল রবিবার অস্ত্রের দোকানের মালিককে তলব করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। শনিবার জীবনতলার উজিরের মোড় এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় রশিদ মোল্লা নামে এক অভিযুক্তকে। পেশায় মাছ ব্যবসায়ী ওই অভিযুক্ত অস্ত্র কারবারে জড়িত বলে অভিযোগ।
এছাড়াও হাসনাবাদ থেকে আশিক ইকবাল গাজী ও আব্দুল সেলিম গাজিকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। বৈধ অস্ত্র বিপণনী থেকেই কি তবে অস্ত্র পৌঁছচ্ছে? লালবাজারের নাকের ডগায় বিবাদী বাগে কী হত, সেই রহস্যের জট খুলতে চাইছেন তদন্তকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications