ঝাড়খণ্ডের বিধায়কদের টাকা হাতবদলে মধ্যস্থতাকারী বাঙালি! আগেই হাতবদল আরও ৭৫ লক্ষ, চাঞ্চল্যকর দাবি তদন্তকারীদের
ঝাড়খণ্ডের বিধায়কদের টাকা হাতবদলে মধ্যস্থতাকারী বাঙালি! আগেই হাতবদল আরও ৭৫ লক্ষ, চাঞ্চল্যকর দাবি তদন্তকারীদের
যত সময় যাচ্ছে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) তিন কংগ্রেস (Congress) বিধায়কের (MLA) থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধারে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। গত ৩০ জুলাই ধরা পড়ার দিনেই শুধু নয়, এর আগেও লক্ষ লক্ষ টাকা হাত বদল হয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারী আধিকারিকদের। এর আগে ২১ জুলাই ৭৫ লক্ষ টাকা বিধায়কদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।

সিআইডি তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য
কলকাতায় ঝাড়খণ্ডের তিন কংগ্রেস বিধায়কের থেকে টাকা উদ্ধারের ঘটনায় আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মাসে আগেও একবার কলকাতায় এসেছিলেন দুই কংগ্রেস বিধায়ক ইরফান আনসারি ও রাজেশ কাচ্চপ।
১৯-২০ জুলাই নাগাদ তাঁরা কলকাতায় আসেন। এবং ২১ জুলাই তাঁদের হাতে ৭৫ লক্ষ টাকা তুলে দেওয়া হয়। সেই সময় কলকাতা থেকে গুয়াহাটিতে গিয়েছিলেন বৈঠক করতে। পরে কলকাতা থেকে টাকা নিয়ে ২১ জুলাই তঁরা ঝাড়খণ্ডে ফিরে যান।

টাকা তুলে দিয়েছিলেন মহেন্দ্র আগরওয়ালই
তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, সেই সময়ও ঝাড়খণ্ডের বিধায়কদের হাতে টাকা তুলে দিয়েছিলেন সেই মহেন্দ্র আগরওয়ালই। বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত তাঁকে জেরার পরে বৃহস্পতিবার ফের তাঁকে তলব করা হয়েছে ভবানীভবনে।তবে ব্যবসায়ী নাকি দাবি করেছেন, কালো ব্যাগে টাকা থাকার কথা তিনি জানতেন না।

মধ্যস্থতাকারী এর বাঙালি
৩০ জুলাই লালবাজারের কাছে বিকানের বিল্ডিং-এ টাকার হাতবদল হয় বলে অনুমান তদন্তকারীদের। সেই হাতবদলে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধার্থ মজুমদার নামে এক ব্যক্তি। মঙ্গলবার এই ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে লুক আউট
নোটিশ ইস্যু করেছে সিআইডি। তিন বিধায়ককে জেরা করে এই সিদ্ধার্থ মজুমদারের নাম উঠে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তিনি দিল্লির বাসিন্দা। ২০ জুলাই এবং ২৯ জুলাই গুয়াহাটিতে যে বৈঠক বিধায়করা করেছিলেন, সেখানে ছিলেন
এই সিদ্ধার্থ মজুমদার। যদিও এই সিদ্ধার্থ মজুমদার-সহ বাকি অভিযুক্তদের সন্ধানে দিল্লিতে গিয়ে সিআইডি তদন্তে বাধার মুখে পড়ে বলে অভিযোগ।

কেন মন্দারমনির পথে
সিআইডি সূত্রে খবর, তারা এখন তদন্ত করে দেখছেন, কংগ্রেস বিধায়করা কেন টাকা নিয়ে মন্দারমনির দিকে যাচ্ছিলেন। ওই দিনই হাওড়ার পাঁচলায় কালো গাড়ি আটক করে ৪৯ লক্ষ টাকা উদ্ধারের পাশাপাশি কংগ্রেস বিধায়কদের
আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের প্রশ্ন এত জায়গা থাকতে টাকা নিয়ে কেন মন্দারমনি যাচ্ছিলেন কংগ্রেস বিধায়করা। কে বা কারা বিধায়কদের জন্য হোটেল বুক করেছিলেন তাও তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন।












Click it and Unblock the Notifications