কলকাতায় শুরু জনতা কার্ফু, শুনশান রাস্তাঘাট, চলছে হাতে গোনা গাড়ি
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত কর্মসূচি সাফল্যের পথে। সকাল সাতটা থেকেই জনতা কার্ফুতে সামিল হয়েছে গোটা দেশ।
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত কর্মসূচি সাফল্যের পথে। সকাল সাতটা থেকেই জনতা কার্ফুতে সামিল হয়েছে গোটা দেশ। সেই কর্মসূচিতে সামিল হয়েছেন কলকাতার বাসিন্দারাও। সকাল থেকে শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ঘাট শুনশান। ধর্মতলা চত্ত্বর থেকে শুরু করে উত্তরের শ্যামবাজার, উল্টোডাঙা, এয়ারপোর্ট ১ নম্বর, দমদম সর্বত্র একই ছবি ধরা পড়েছে। জনশূন্য দক্ষিণের রাসবিহারি অ্যাভিনিউ থেকে শুরু করে রুবি, পার্ক সার্কাস, রবীন্দ্র সদন, আনোয়ার শাহ, টালিগঞ্জ।

শুনাশান কলকাতা
হাওড়া এবং শিয়ালদহ স্টেশনও প্রায় জনশূন্য আজ। নিরাপত্তা রক্ষীরা ছাড়া সীমিত সংখ্যক লোকজনকেই স্টেশন চত্ত্বকরে দখা গিয়েছে। জরুরি কিছু জিনিসের দোকান ছাড়া শহর কলকাতায় আজ এক প্রকার বনধের ছবি। বাস চলছে না বললেই চলে। একমাত্র হাতে গোনা কয়েকটি গাড়ি ঘোরা ফেরা করছে। তার মধ্যে অধিকাংশই জরুরি পরিষেবার কারণে। এসএন ব্যনার্জি রোড থেকে শুরু করে, লেনিন সরণি, ধর্মতলা চত্ত্বর, মৌলালি, পার্ক সার্কাস, শ্যামবাজার, উল্টোডাঙা, রাসবিহারি অ্যাভিনিউ, আনোয়ার শাহ, রুবি সর্বত্র রাস্তাঘাট শুনশান। গাড়ি পর্যন্ত হাতে গোনা চলছে।

সংক্রমণ রুখতে জনতা কার্ফু
করোনা স্টেজ থ্রি পর্যায়ে পৌঁছনোর আগে ভীষণ ভাবে জরুরি ছিল এই জনতা কার্ফু। কারণ করোনা ভাইরাস মানুষের শরীর ছাড়া বেশিক্ষণ বাঁচতে পারে না। কাজেই এই ভাইরাস নিধনের একটাই পথ সংক্রমণ আটকানো। তার জন্যই এই জনতা কার্ফুর ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ ছাড়িয়ে গিয়েছে ভারতে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, কয়েক সপ্তাহ ভারতের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন। কারণ এই সময়ের মধ্যেই কমিউনিটি সংক্রমণ শুরু করবে করোনা ভাইরাস।

কমল বাস, ট্রেন
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে আজ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যের বাইরে কোনও বাস যাবে না এবং বাইরে থেকে কোনও বাস রাজ্যে ঢুকবে না নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে দূরপাল্লার একাধিক ট্রেনে নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে। লোকাল ট্রেনের সংখ্যাও অনেকটাই কমিয়ে দেওয়া হয়েছে আজ। মেট্রো রেল চলাচলও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications