Jadavpur University: যাদবপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার আরও এক ছাত্র, থানা ঘিরে 'ধিক্কার' স্লোগান পড়ুয়াদের
Jadavpur University: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কাণ্ডে ফের গ্রেফতারি। শিক্ষাবন্ধু সমিতির অফিসে আগুন লাগানোর ঘটনায় আরও এক ছাত্রকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সৌপ্তিক চন্দ্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে মঙ্গলবার সন্ধেয় জানায় পুলিশ। ছাত্রের গ্রেফতারির প্রতিবাদে মিছিল করে এসে যাদবপুর থানার বাইরে বিক্ষোভ পড়ুয়াদের।
যাদবপুর থানার বাইরে ধিক্কার স্লোগান পড়ুয়াদের। বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃণমূল সমর্থিত শিক্ষাকর্মীদের সংগঠন 'শিক্ষা বন্ধু'-র অফিসে আগুন লাগানোর ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে সৌপ্তিককে। যদিও বিক্ষোভরত পড়ুয়াদের দাবি, মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে পড়ুয়াদের। পরীক্ষার মুখে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত করে গ্রেফতারির দাবি তুলছেন তারা। পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন বিক্ষোভকারীদের।

এদিকে বিক্ষোভের জেরে বিকেল থেকেই অবরুদ্ধ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের সংযোগস্থল। ঘুরপথে ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। যাদবপুর থানার সামনে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ। আগেভাগেই ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল। বিকেল গড়িয় সন্ধেতেও ঘটনাস্থলে তুমুল উত্তেজনা। ধৃত পড়ুয়াদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন পড়ুয়ারা।
এর আগে 'শিক্ষা বন্ধু'-র অফিসে আগুন লাগানোর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় দর্শন বিভাগের প্রথম বর্ষের পড়ুয়া সৌম্যদীপ মাহাত ওরফে উজানকে। মঙ্গলবার পুলিশ হেফাজত শেষে তাঁকে আলিপুর আদালত জামিনে মুক্তি দেয়। গত বুধবার প্রথম বর্ষের ওই পড়ুয়াকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল যাদবপুর থানায়। পুলিশের দাবি, 'শিক্ষা বন্ধু'-র অফিসে আগুন লাগানোর ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছিল সৌম্যদীপকে।
বুধবার দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত সাড়ে ন'টা নাগাদ তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারও আগে একই মামলায় মধ্যরাতে যাদবপুর চত্বর থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী মহম্মদ সাহিল আলিকে। যদিও তাঁকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হলে ৫ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়া হয়। এবার সেই মামলায় গ্রেফতার সৌপ্তিক চন্দ্র নামে আরেক পড়ুয়া।
প্রসঙ্গত, ১ মার্চ ছাত্র সংসদের নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে এসএফআইয়ের বিরুদ্ধে। শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আন্দোলনকারী ছাত্র জখম হয় বলে অভিযোগ। ব্রাত্যর গাড়ির বনেটে উঠেও বিক্ষোভ দেখানো হয়। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর গাড়িতে যাদবপুরের পড়ুয়া ইন্দ্রানুজ রায়ের 'চাপা পড়া' নিয়েই আরও জোরালো হয়েছে প্রতিবাদ প্রতিরোধ।












Click it and Unblock the Notifications