৩০ ঘণ্টা পর ঘেরাও মুক্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, তবে প্রবেশিকা-জট আরও জটিল
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর যে অশান্তির আগুন ছড়িয়ে ছিল, সেই আগুন নিভল ৩০ ঘণ্টা পর।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর যে অশান্তির আগুন ছড়িয়ে ছিল, সেই আগুন নিভল ৩০ ঘণ্টা পর। পুরো একদিন ছ-ঘণ্টা পর ঘেরাও মুক্ত হলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। তবু জট কাটল বলা যাবে না। কারণ ছাত্রছাত্রীরা তাঁদের আন্দোলনের পথ থেকে সরে আসছেন না। প্রবেশিকা সংক্রান্ত দাবি মানা না হলে তাঁরা অনশনের পথে হাঁটবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন।

বুধবার কর্মসমিতির বৈঠকের পর প্রবেশিকা পরীক্ষা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জানানো হয়, নম্বরের ভিত্তিতেই ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি করা হবে স্নাতকস্তরে। উচ্চমাধ্যমিক, সিবিএসসি, আইএসসি ইত্যাদি পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরের ভিত্তিতেই ভর্তির বিজ্ঞপ্তি জারি করার পর থেকেই ঘেরাও-বিক্ষোভ অভিযান চলতে থাকে।


উপাচার্য ঘেরাও মুক্ত হন বৃহস্পতিবার রাত ১১টা নাগাদ। তবে ছাত্রছাত্রীরা অবস্থান চালিয়ে যাচ্ছেন। শুক্রবার দুপুরে মধ্যে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে বড় আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তাঁরা। এদিকে অধ্যাপকরাও আন্দোলনে নামছে এদিন। বিকেল চারটে নাগাদ জুটার পক্ষ থেকে আন্দোলন-অবস্থান চালানো হবে। উল্লেখ্য, এদিন ছাত্রছাত্রীরা ক্লাস বয়কট করে আন্দোলন চালাচ্ছেন।


এদিকে শুক্রবার দুপুর ১২টা নাগাদ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়। এই সমস্যার সমাধানে এখন কী ভূমিকা নেয় যাদবপুর কর্মসমিতি, কী ভূমিকা নেয় রাজ্য সরকার সেদিকেই তাকিয়ে আন্দোলনকারীরা। এদিন বিকেল তিনটে পর্যন্ত অবস্থান চালিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন ছাত্রছাত্রীরা।












Click it and Unblock the Notifications