মহার্ঘভাতা নিয়ে জোর সওয়াল হাইকোর্টে, কী বার্তা রাজ্য সরকারের
মহার্ঘভাতা নিয়ে কাটল না জট। মহার্ঘভাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক কি না, সেই বিতর্কেই আটকে রইল মামলাটি।
মহার্ঘভাতা নিয়ে কাটল না জট। মহার্ঘভাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক কি না, সেই বিতর্কেই আটকে রইল মামলাটি। হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির এজলাসে মামলাটি উঠলেও, ডিএ-প্রাপ্তী হবে কি না, তার জন্য অপেক্ষা পরবর্তী শুনানির দিন ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

মঙ্গলবার হাইকোর্টে রাজ্য সরকারের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত জানান, পে কমিশনের প্রস্তাব মেনে সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘভাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। সেই কথারই পরিপ্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিশীথা মাত্রে বলেন, মহার্ঘভাতা সরকারি কর্মচারীদের অধিকার নাকি অধিকার নয়, তা পরের কথা। যেহেতু সরকারি কর্মীরা দীর্ঘদিন মহার্ঘভাতা পেয়ে আসছেন, কর্মীদের তা নিয়ে আশা থাকে।
প্রধান বিচারপতির কথায়, কর্মীদের সেই আশা-আকাঙ্ক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত। কেননা বাজারদরের সঙ্গে সমতা বজায় রেখে সরকারি কর্মীদের বেতনে সমতা আনতে মহার্ঘভাতা দেওয়া হয়। বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়েই এই মহার্ঘভাতা দেওয়া হয়।
কিশোর দত্ত বলেন, পে কমিশন মহার্ঘভাতা দেওয়া নিয়ে প্রস্তাব পাঠাতেই পারে। সেই প্রস্তাব মেনে কর্মীদের মহার্ঘভাতা দিতে সরকার বাধ্য নয়। সরকারি কর্মীদের তরফে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, সরকারি কর্মীরা বহুদিন ধরে মহার্ঘভাতা পেয়ে আসছেন। এটা তাঁদের অধিকার।
এদিন কিছু কর্মী এই মামলার পক্ষ হতে আবেদন করেন। তাঁদের তকরফেই বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যকে আইনজীবী নিযুক্ত করা হয়। সেইমতো বিকাশবাবু এদিন সওয়াল করেন। কিন্তু রাজ্যের অ্যাডভোটেক জেনারেল কিশোর দত্ত তার তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, কর্মীরা ট্রাইবুন্যালে কোনও মামলা করেননি। ফলে এই মামলার অংশীদার হতে পারেন না তাঁরা। এ বিষয়ে তিিন হলফনামা দেবেন বলেও জানান।












Click it and Unblock the Notifications