বাংলাদেশজুড়ে হবে নাম সংকীর্তন, কৃষ্ণের নামে সুর তুলবেন ভক্তরা! বিশ্বজুড়ে বিশেষ প্রার্থনার ডাক ইসকনের
Isckon: বাংলাদেশে প্রশ্নের মুখে সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা! প্রায় ছয়দিন কেটে গিয়েছে চট্টগ্রামের কারাগারে বন্দি চিন্ময়কৃষ্ণ দাস। কার্যত প্রত্যেকদিনই ওপার বাংলায় হামলার মধ্যে পড়ছে ইসকনের একাধিক মন্দির। ভাঙচুর চলছে হিন্দু সম্প্রদায়ের একাধিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে। আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে সাধারণ মানুষের। এই অবস্থায় আগামীকাল রবিবার 'বিশেষ প্রার্থনা'র ডাক দিল ইসকন।
যেখানে নাম সংকীর্তনের পাশাপাশি শান্তিপ্রার্থনা' করা হবে। শুধু কলকাতার ইসকন (Isckon) মন্দিরে নয়, গোটা বিশ্বজুড়ে সমস্ত ইসকন মন্দিরে এই প্রার্থনার ডাক দেওয়া হয়েছে (Isckon) । এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকার বিভিন্ন প্রান্তে ইসকনের মন্দির একাধিক মন্দির রয়েছে।

যে সমস্ত জায়গায় ভক্তদের মিলিত হয়ে বিশেষ এই প্রার্থনায় অংশ নেওয়ার ডাক দেওয়া হয়েছে। এমনকি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই সংস্থার মন্দির রয়েছে। যেখানে যাতে শান্তির জন্য সবাই প্রার্থনা করেন সেই দাবিও জানানো হয়েছে ইসকনের তরফে। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই পরিস্থিতির বদল হতে শুরু করে।
লাগাতার সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলার ঘটনা ঘটতে থাকে। সমস্ত ঘটনার প্রতিবাদেই ওপার বাংলায় তৈরি হয় সনাতনি জোট। চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে মুখ করেই এই জোটের পথ চলা শুরু হয়। একাধিক দাবিতে ইউনূস সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়।
এরমধ্যেইও রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশ পুলিশ। কমে জেল মুক্তি ঘটবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। আইনজীবীদের কর্মবিরতির জেরে আটকে রয়েছে ইসকনের এই সন্ন্যাসীর জামিন মামলার শুনানি। তবে আগামী সোমবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি বাংলাদেশ আদালতে শুরু হতে পারে।
অন্যদিকে জেলে বন্দি চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে চিন্তিত ইসকন। বিশেষ করে সন্ন্যাসীর খাওয়া দাওয়া কীভাবে হচ্ছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ভারত কথা বলে সেই বার্তা দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি সে দেশে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে। এই দাবিতে হাইকোর্টে মামলাও হয়। যদিও তা খারিজ হয়ে যায়। কিন্তু যেভাবে ইসকন মন্দিরগুলিতে হামলার শিকার হচ্ছে তা নিয়ে কলকাতা ইসকন ইতিমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে সমস্ত মন্দির এবং ভক্তদের নিরাপত্তার দাবি জানানো হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের তরফে। যদিও সংখ্যালঘু নিরাপত্তা আছে বলে পাল্টা দাবি করেছে বাংলাদেশ।












Click it and Unblock the Notifications