বিভাজন নয়, সম্প্রীতি! পঞ্চায়েতের আগে আসরে তৃণমূলপন্থী বিদ্বজ্জনেদের শান্তির বার্তা
কলকাতায় এসে বাংলার বুদ্ধিজীবীদের রূপান্তরকামী বলে কটাক্ষ করেছিলেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল তথাগত রায়। তাঁর সেই বার্তাকে খোঁচা দিয়েই বুধবার তৃণমূলপন্থী বুদ্ধিজীবীরা পঞ্চায়েত ভোটের আগে শান্তির বার্তা দিলেন।
কলকাতায় এসে বাংলার বুদ্ধিজীবীদের রূপান্তরকামী বলে কটাক্ষ করেছিলেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল তথাগত রায়। তাঁর সেই বার্তাকে খোঁচা দিয়েই বুধবার তৃণমূলপন্থী বুদ্ধিজীবীরা পঞ্চায়েত ভোটের আগে শান্তির বার্তা দিলেন। আর এই শান্তির বার্তা দিতে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ফের একবার প্রকাশ ঘটল শুভাপ্রসন্ন-সহ তৃণমূলপন্থী বিদ্বজ্জনেদের। শিল্পী শুভাপ্রসন্নর নেতৃত্বেই এদিন ঐতিহাসিক হোসেনুর রহমান, শিল্পী কবীর সুমন, কবি জয় গোস্বামী, সুবোধ সরকার প্রমুখ রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে চলার আহ্বান জানান।

সম্প্রতি রাজ্যে রামনবমীকে উদ্দেশ্য করে রাস্তায় নামে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস। তারই জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আসানসোল ও রানিগঞ্জ। এলাকায় আগুন জ্বলতে শুরু করে। তা নিয়েই রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় সরকারও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে এই ঘটনায়। এই অবস্থায় ফের রাজ্যের বুদ্ধিজীবীরা সামনে এসে শান্তির বাণী দিলেন। 'এসো সম্প্রীতি যাও বিভাজন' শীর্ষক এক সভায় অযথা হানাহানি-বিভাজনের রাজনীতি বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়।
ঠিক এইভাবেই ২০১১ সালের আগে পরিবর্তনকামী বিদ্বজ্জনেরা রাস্তায় নেমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকে আন্দোলনে নেমেছিলেন। কিন্তু রাজ্যে পরিবর্তন আসার পর বিদ্বজ্জনেদের আর দেখা মেলেনি। রাজ্যে তৃণমূল সরকারের সাত বছরে ফের তাঁদের সমর্থনে বিদ্বজ্জনেরা প্রকাশ্যে এসে একত্রিত হয়ে শান্তির বার্তা দিলেন।
শুধু আসানসোল-রানিগঞ্জ নয়, রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের দামামা বেজে যেতেই জেলায় জেলায় অশান্তি বীজবপন হচ্ছে। এদিন শুভাপ্রসন্ন, হোসেনুর রহমান, কবীর সুমনরা একত্রিত হয়ে শান্তি বজায় রাখার বার্তা দিলেন। উসকানিতে পা না দিয়ে শান্তি বজায় রেখে ভোটদান প্রক্রিয়া সমাধান করার আর্জি রাখলেন সমস্ত মানুষের কাছে।












Click it and Unblock the Notifications