আরজি করে কোনও চিকিৎসক ছিলেন না, বড় অভিযোগ করলেন মৃত যুবকের মা
আরজি কর হাসপাতালে কোনও চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যায়নি। কোনও চিকিৎসক রক্তাক্ত ওই যুবকের চিকিৎসার জন্য যাননি। এই মারাত্মক অভিযোগ করছেন মৃতের পরিবার। গতকাল শুক্রবার আরজি কর হাসপাতালে দুর্ঘটনায় জখম এক যুবককে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে সেই যুবক মারা যান।
আরজি কর হাসপাতালে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতি চলছে। আউটডোর পরিষেবা বন্ধ রয়েছে সেখানে। এবার সেই হাসপাতালেই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল। দুর্ঘটনাগ্রস্ত যুবককে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হল না। বিনা চিকিৎসায় তিনি প্রাণ হারালেন। এমন মারাত্মক অভিযোগ সামনে আসছে।

তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়ে টুইট করেছেন। তৃণমূলের অন্যান্য নেতাও এই বিষয়ে প্রতিবাদ করছেন। আরজি করের এই ঘটনায় শুরু হয়েছে নতুন করে বিতর্ক। সেই বিতর্ককে আরও উসকে দিলেন মৃতের মা। ছেলের মৃত্যুর পিছনে চিকিৎসার অবহেলা এবং ডাক্তারদের অনুপস্থিতির অভিযোগ করেছেন।
নিহত বছর ২৮ বয়সের বিক্রম ভট্টাচার্য হুগলির কোন্নগরের বাসিন্দা। রাস্তায় ট্রাক তাকে চাপা দেয়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বিক্রমের মা কবিতা ভট্টাচার্যের অভিযোগ, আরজি করের ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডে চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন না।
তবে আরজি কর হাসপাতালের কর্মকর্তারা পরিবারের দাবি অস্বীকার করেছেন। মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট কাম ভাইস প্রিন্সিপাল ডাঃ সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় দাবি করেছেন, শুক্রবার সকালে বিক্রমকে আরজি করে আনা হয়। তাকে অবিলম্বে ট্রমা কেয়ারে নেওয়া হয়েছিল।
তার শরীরের দুই জায়গা ও মাথায় গুরুতর আঘাত ছিল। তাকে সিটি স্ক্যানের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। যখন সিটি স্ক্যানের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, তখন বিক্রম শ্বাস নিতে হাঁপাচ্ছিল। তিনি মারা যান। তাকে ক্লিনিক্যালি মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। দাবি ডাঃ চট্টোপাধ্যায়ের।
ঘটনাটি এমন এক সময়ে একটি বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে যখন আরজি কর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসকরা গত মাসে একজন শিক্ষানবিশ চিকিৎসককে নৃশংস ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় নিরলস প্রতিবাদ করছেন।
ঘটনাটি একটি বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। গত মাসে আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। সেই ঘটনায় কর্মবিরতি আন্দোলন চলছে হাসপাতালে৷












Click it and Unblock the Notifications