১৩ দিনে পড়ল অনশন আন্দোলন, মনের জোর অটুট রয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের
বাংলা জুড়ে লক্ষ্মীপুজোর আবহ। ধর্মতলার অনশন মঞ্চে এখন কেবল মনের জোরে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া। দ্রোহের কার্নিভাল সাফল্য পেয়েছে। সাধারণ মানুষ চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আর তাতেই নতুন উদ্যম পেয়েছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন সেই উদ্যমতা থেকেই।
বৃহস্পতিবার ১৩ নম্বর দিনে পড়ল এই আমরণ অনশন। আমরণ অনশন ৩০০ ঘন্টার দিকে এগোচ্ছে। জুনিয়র চিকিৎসকদের এই আন্দোলন ঘিরে সাধারণ মানুষদের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আর সেখানেই প্রশ্ন উঠছে রাজ্য সরকারের ভূমিকার।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানবিক হোক। জুনিয়র চিকিৎসকদের ১০ দফা দাবি মানা হোক। মুখ্যমন্ত্রী নিজে অনশনকারীদের সঙ্গে কথা বলুক। এই বক্তব্য উঠে আসছে ধর্মতলায় অনশন মঞ্চের থেকে। জুনিয়র ডাক্তাররা সেখানে উপস্থিত থাকছেন।
বৃহস্পতিবার ১৩ নম্বর দিনে পড়েছে আমরণ অনশন আন্দোলন। ২৮০ ঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছে অনশন আন্দোলনের। অনশনকারীদের শরীর ভাঙছে প্রতিদিন। রক্তচাপ ক্রমশ কমছে। এছাড়াও শরীরে খনিজ লবনের ঘাটতি শুরু হয়েছে। এখনও অবধি ছয় জন অনশনকারী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কলকাতা উত্তরবঙ্গ মিলিয়ে আট অনশনকারী রয়েছেন অনশন মঞ্চে।
দ্রোহের কার্নিভালের সন্ধ্যায় নতুন করে দুই জুনিয়র চিকিৎসক অনশন আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। তাঁদের শারীরিক পরিস্থিতি এখনও স্থিতিশীল আছে। মেডিক্যাল টিম প্রত্যেক দিন অনশনকারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছে। না খেয়ে রয়েছেন আন্দোলনকারীরা। মনের জোর এখনও অটুট তাঁদের। সব থেকে বড় কথা দ্রোহের কার্নিভালে অসংখ্য মানুষ সামিল হয়েছেন। সেই ছবি আরও বেশি মনের জোর বাড়িয়ে দিয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের। সেই কথাই বলা হয়েছে।
গতকাল ফের মুষলধারায় বৃষ্টি হয়৷ অনশন আন্দোলন মঞ্চের বহু অংশ ভিজে যায়। সব জায়গায় মাথার উপর আস্তরণ ছিল না। নিজেরাই বৃষ্টির মধ্যে ত্রিপল দিয়ে আস্তরণ দিয়েছেন। কোনওভাবেই তাঁরা পিছু হটতে রাজি নন।












Click it and Unblock the Notifications