হম্বিতম্বিই সার, গাড়ির লালবাতি খুলে নিল প্রশাসন, চুপ ইমাম বরকতি
ইমাম নুর রহমান বরকতির গাড়ির লালবাতি খুলে নেওয়া হল। রাজ্য প্রশাসনের তরফে তার বাড়িতে গিয়ে গাড়ি থেকে লালবাতি খুলে দেওয়া হয়। এরপরে তিনি অবশ্য কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
কলকাতার টিপু সুলতান মসজিদের শাহী ইমাম নুর রহমান বরকতির গাড়ির লালবাতি খুলে নেওয়া হল। শনিবার রাজ্য প্রশাসনের তরফে তার বাড়িতে গিয়ে গাড়ি থেকে লালবাতি খুলে দেওয়া হয়। বরকতির গাড়িতে লালবাতি নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে বিতর্ক চলছে। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে তোপ দেগে ইমামের মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে ওঠে।
এদিন রাজ্য প্রশাসনের তরফে প্রতিনিধিরাই শুধু নন, মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও যান ইমামের বাড়িতে। তাঁর সঙ্গে একপ্রস্থ আলোচনা হয়। তারপরই প্রশাসনের তরফে খুলে নেওয়া হয় লালবাতি। এ বিষয়ে তিনি অবশ্য কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী গাড়িতে লালবাতি ব্যবহার করেন না। অথচ শাহী ইমাম লালবাতি লাগিয়ে ঘুরে বেড়ান। এই ঘটনায় বিতর্ক তৈরি হয়। কেন প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ মানছেন না, প্রশ্ন করা হলে ইমাম জবাব দেন, প্রধানমন্ত্রী আইন করতে পারেন, মুখ্যমন্ত্রী না বললে তিনি লালবাতি খুলবেন না। এরপরই তা নিয়ে জলঘোলা হয়। বিজেপি নেতা-মন্ত্রীরা তাঁর সমলোচনায় মুখর হন। রাজনৈতিক মহলেও সমালোচিত হন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নির্দেশ দিয়েছিলেন, সাংসদ, মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্তাদের গাড়ির লালবাতি খুলে ফেলতে। যানবাহনের দ্রুত গতি আনতেই তাঁর এই নির্দেশ ছিল। সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছিলেন অ্যাম্বুল্যান্স, দমকল, পুলিশের গাড়ি ছাড়া কোনও ভিআইপি গাড়িতে লালবাতি ব্যবহার করা হবে না ১ মে থেকে। তিনি জানান, সব ভারতীয় সমান। লাল বাতির সংস্কৃতি অনেকদিন আগেই তুলে দেওয়া উচিত ছিল। সেই নির্দেশিকাকে মান্যতা দিয়ে সবাই লালবাতি ত্যাগ করেছিলেন। কিন্তু ইমাম বরকতি তা করেননি। এদিন তাই প্রশাসনের তরফে তাঁর গাড়ির লালবাতি খুলে নেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications