আরজি কর কাণ্ডে আইএমএ সাসপেন্ড করল, আরও চাপে সন্দীপ ঘোষ?
সন্দীপ ঘোষ কি তাহলে আরও সমস্যায় পড়লেন? কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ও ইডি তার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। এবার ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন সংক্ষেপে আইএমএ থেকে সাসপেন্ড করা হল সন্দীপ ঘোষকে। আরজি কর কাণ্ডের জেরেই যে এই সিদ্ধান্ত। তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
আরজি কর হাসপাতালে তরুণী জুনিয়র চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুন করা হয়। ওই ঘটনায় উত্তাল বাংলার রাজ্য রাজনীতি। জুনিয়র চিকিৎসকরা আন্দোলন, অনুষ্ঠানে অনড় রয়েছেন। কর্মবিরতি চলছে জুনিয়র চিকিৎসকদের। সেই সময় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অধ্যক্ষ পদে ছিলেন সন্দীপ ঘোষ।

তার বিরুদ্ধে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ উঠছে। জুনিয়র চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সন্দীপ ঘোষ কতটা জড়িয়ে? তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তরুণী চিকিৎসকের মা-বাবার সঙ্গে সঠিক ব্যবহার করা হয়নি। মেয়ের মৃত্যুর খবর প্রথমে দেওয়া হয়নি। এছাড়াও তাদের তিন ঘন্টা মৃতদেহ দেখতে না দিয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠতে থাকে।
আরজি কর কাণ্ডের পরে আইএমএ - এর তরফ থেকে কমিটি তৈরি করা হয়। আইএমএ জাতীয় সভাপতির নেতৃত্বে ওই কমিটি তদন্ত শুরু করে। মৃত নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সন্দীপ ঘোষ সঠিক ভাবে কথা বলেননি। বাবা মায়ের সঙ্গে কথা বলার সময় সমব্যথী ও সংবেদনশীলতার ছাপ সন্দীপ ঘোষের মধ্যে পাওয়া যায়নি। এমনই বক্তব্য উঠে আসছে কমিটির বক্তব্যে। সন্দীপ ঘোষকে আইএমএ থেকে সাসপেন্ড করা হল।
এর আগে সন্দীপ ঘোষকে ন্যাশনাল অর্থোপেডিক অ্যাসোসিয়েশনও সাসপেন্ড করে। এবার আইএমএ সন্দীপ ঘোষকে সাসপেন্ড করল। ফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (এফএআইএমএ) এর একটি অনুরোধের পরে এই স্থগিতাদেশটি এসেছে। সংগঠনের সঙ্গে সন্দীপ ঘোষের সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
বুধবার আইএমএ - এর জাতীয় সভাপতি ডা: আরভি অশোকান কর্তৃক গঠিত কমিটি এই সাসপেন্ডের কথা জানান। তরুণী চিকিৎকের ধর্ষণ ও হত্যা মামলা এবং আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পরবর্তী অবস্থা। এই সব কিছুর ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। আইএমএ - এর কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন সন্দীপ ঘোষ।












Click it and Unblock the Notifications