সেনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ জারি, পুলিশের আপত্তি অগ্রাহ্য করেই দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে সেনা মোতায়েন
সেনার বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ জারিই রাখল রাজ্য। কলকাতা পুলিশের আপত্তি সত্ত্বেও কেন সেনা তল্লাশি হল, উঠে পড়ল প্রশ্ন।
কলকাতা, ২ ডিসেম্বর : সেনার বিরুদ্ধে 'যুদ্ধ' জারিই রাখল রাজ্য। কলকাতা পুলিশের আপত্তি সত্ত্বেও কেন সেনা তল্লাশি হল, উঠে পড়ল প্রশ্ন। অনুমতি সাপেক্ষেই রুটিন চেকিং- সেনার এই দাবির পর এবার কলকাতা পুলিশ সাফ জানিয়ে দিল, তারা এই সেনা তল্লাশিতে আপত্তি জানিয়েছিল। ২৫ নভেম্বরই আপত্তি জানিয়ে চিঠি দেওয়ার পরও কী করে হাই সিকিউরিটি জোনে তল্লাশি চালাল সেনা? প্রশ্ন ছুড়ে দিল পুলিশ। এদিন ধর্মতলায় রাজভবনের সামনে ধরনা কর্মসূচি নিয়েছেন তৃণমূল বিধায়করা।
দ্বিতীয় হুগলি সেতু সংলগ্ন টোলপ্লাজা এলাকা একটি হাই সিকিউরিটি জোন। কারণ সামনেই মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় 'নবান্ন'।
২৪ নভেম্বর সেনার চিঠি পাওয়ার পরদিন ২৫ নভেম্বরই কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দেয়, এই এলাকায় সেনা তল্লাশি সম্ভব নয়। এরপর কেন তল্লাশি সম্ভব নয় জানতে চায় সেনা। কলকাতা পুলিস সাফ জানিয়ে দেয় নিরাপত্তার কারণেই সম্ভব নয়। সেই প্রেক্ষিতে ২৭ নভেম্বর যৌথ মহড়া করে সেনাকে দেখিয়ে দেওয়া হয় কী কী অসুবিধা হতে পারে সেনা তল্লাশির কারণে। ওইদিন কলকাতা পুলিশের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়, কেনওমতেই দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে সেনা তল্লাশি করা যাবে না।

তারপর সেনা নিজেদের মর্জিমতোই দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে তল্লাশিতে নামে। তবে এই ঘটনায় রাজ্য প্রশাসনকে জানানো হয়নি, এই দাবি নস্যাৎ হয়ে গেল। কলকাতা পুলিশ স্বীকার করে নিল, তাঁরা বিষয়টি জানতেন। তবে আপত্তি জানিয়েছিলেন।
ইস্টার্ন কমান্ডের তরফে এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে জানানো হয়, শুধু কলকাতা পুলিশ নয়, হাওড়া কমিনারেট, চ্যাটার্জিহাট থানা, জেলাশাসক, আরটিওকেও চিঠি দিয়ে জানানো হয় এই রুটিন চেকিংয়ের বিষয়টি।
সেনা কর্তৃপক্ষের দাবি, এটা রুটিন কর্মসূচি। প্রতি বছরই হয়। সংশ্লিষ্ট জেলা শাসক ও পুলিশ তথা রাজ্য প্রশাসনকে জানিয়েই তারা সেনা নামিয়ে কোন রাস্তা দিয়ে কত পণ্যবাহী গাড়ি যেতে পারে সেই পরিসংখ্যান সংগ্রহ করেন। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে এলাকা থেকে কত গাড়ি মিলতে পারে তা জানতেই এই প্রক্রিয়া চলে।












Click it and Unblock the Notifications