ইডির অভিযান নিয়ে সরব আইপ্যাক! 'পেশাদার সংস্থাকে বাধা দেওয়ার অশুভ নজির', বার্তা প্রতীকের সংস্থার

সল্টলেকের আইপ্যাক (I-PAC) অফিস এবং সংস্থার ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাসভবনে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) তল্লাশি অভিযান নিয়ে এদিন শুক্রবার মুখ খুলল এই পেশাদার রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা। একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আইপ্যাক এই ঘটনাকে 'দুর্ভাগ্যজনক’ বলে অভিহিত করার পাশাপাশি একে একটি 'অশুভ নজির’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তারা আইন মেনে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছে।

আইপ্যাকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এক দশকেরও বেশি আগে একদল তরুণ পেশাদার ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই সংস্থাটি গড়ে তুলেছিলেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "আইপ্যাক কোনও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না বা কোনও রাজনৈতিক পদ দখল করে না। আমাদের ভূমিকা সম্পূর্ণ পেশাদার রাজনৈতিক পরামর্শদাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ এবং কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শ দ্বারা আমরা প্রভাবিত নই।"

সংস্থাটি মনে করিয়ে দিয়েছে যে, গত কয়েক বছরে তারা বিজেপি, কংগ্রেস, আপ, তৃণমূল কংগ্রেস, ডিএমকে, ওয়াইএসআর কংগ্রেস এবং বিআরএস-এর মতো বিভিন্ন আদর্শের রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সফলভাবে কাজ করেছে।

শুক্রবার প্রকাশিত বিবৃতিতে আই-প্যাক জানিয়েছে, গতকাল ইডি আধিকারিকরা আইপ্যাকের অফিস এবং আমাদের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছেন। আইপ্যাকের মতো একটি পেশাদার সংস্থার জন্য এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও দুর্ভাগ্যজনক দিন ছিল। আমরা বিশ্বাস করি এটি একটি গভীর উদ্বেগের বিষয় এবং পেশাদার সংস্থাগুলির কাজের ক্ষেত্রে একটি অস্বস্তিকর নজির তৈরি করল।

তা সত্ত্বেও, সংস্থাটি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, যাই ঘটুক না কেন, তারা তাদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হবে না এবং স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে নিজেদের কাজ চালিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, কয়লা পাচার মামলার তদন্তের সূত্রে বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের সেক্টর ফাইভের অফিস এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সেই তল্লাশি চলাকালীন সশরীরে সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডির অভিযোগ ছিল, মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য পুলিশ তদন্তে বাধা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল প্রমাণ নিয়ে চলে গিয়েছেন। অন্যদিকে, তৃণমূল ও আইপ্যাকের দাবি, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। বর্তমানে বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারাধীন।

সব মিলিয়ে, কেন্দ্রীয় সংস্থার এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়ে আই-প্যাক বুঝিয়ে দিল যে, তারা আইনি পথেই এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করবে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+