Hunger Strike of Junior Doctors: আর কিছুক্ষণ দেখব..বড় হুঁশিয়ারি চিকিৎসকদের, রাতেই অনশনে বসলেন অনিকেত
Hunger Strike of Junior Doctors: বায়ো টয়লেট বসানো নিয়ে ফের সংঘাতে লালবাজার এবং চিকিৎসকরা। প্রায় ৩৪ ঘন্টা কেটে গিয়েছে। এখনও অনশনে জুনিয়র ডাক্তাররা। ক্রমশ অসুস্থ হচ্ছে শরীর। এই অবস্থায় সোমবার সকালে ফের অনশন মঞ্চের সামনে বায়ো টয়লেট নিয়ে আসা হয়।
কিন্তু পুলিশ তা ফের বসাতে বাধা দেয়। যা নিয়ে কলকাতা পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে বচসা তৈরি হয় অন্যান্য জুনিয়র চিকিৎসকদের। লাগাতার পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেন। যা নিয়ে একেবারে সাত সকালে তীব্র উত্তেজনা তৈরি পড়ে (Hunger Strike of Junior Doctors) ।

জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, অনশনকারীরা ক্রমশ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। এই অবস্থায় (Hunger Strike of Junior Doctors) তাঁদের পক্ষে উঠে আর বাথরুম যাওয়াটা সম্ভব হচ্ছে না। এই অবস্থায় বায়ো টয়লেট থাকাটা জরুরি। কিন্তু পুলিশের তরফে উপরতলার নির্দেশের যুক্তি দেখিয়ে তা বসাতে দেওয়া হচ্ছে না। তবে আর কিছুক্ষণ বিষয়টি দেখবেন, এরপর বায়ো টয়লেট ব্যবহার শুরু করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি জুনিয়র চিকিৎসকদের।
যদিও পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, এলাকাটি গ্রিন জোন। সেখানে বায়ো টয়লেট বসানোর অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের জন্য একটি সুলভ শৌচালয় খুলে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি। ফলে বায়ো টয়লেট বসানো নিয়ে সংঘাত অব্যাহত। অন্যদিকে রবিবার রাতেই আমরণ অনশনে যোগ দেন অনিকেত মাহাতো। তিনি আরজি করের জুনিয়র চিকিৎসক।
বলে রাখা প্রয়োজন, শনিবার থেকে আমরণ অনশনে বসেন ৬ জুনিয়র চিকিৎসক। কিন্তু তাতে বেশ কিছু ওঠে। আরজি কর হাসপাতালের তরফে কেন কেউ নেই অনশনে। আন্দোলনকারীদের মধ্যে কি কোনও বিরোধ তৈরি হয়েছে। সেজন্য এই সিদ্ধান্ত! যদিও সমস্ত জল্পনাকে খারিজ করে রবিবার রাতেই অনশন মঞ্চে যোগ দেন আরজি কর হাসপাতালের তরফে অনিকেত মাহাতো।
অনিকেত বলেন, ১০ দফা দাবিতে আন্দোলন চলছে। সেই দাবিকে সামনে রেখেই আন্দোলন আর তীব্র হবে। এমনকি অনশনের দ্বিতীয় দিনে ১০ দফা দাবিকে সামনে রেখেই অনশনে যোগ দেওয়ার কথা জানান আন্দোলনের অন্যতম মুখ অনিকেত। যদিও দ্বিতীয় দিনে যোগ দেওয়া নিয়ে কোনও উত্তর দেননি (Hunger Strike of Junior Doctors)।












Click it and Unblock the Notifications