বউবাজারে আর কত দিন বাড়ি ছেড়ে থাকতে হবে বাসিন্দাদের? কী বলছে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ?
ফের দুর্গা পিতুরি লেনের ১১ টি বাড়ি খালি করে দেওয়া হল। মোট ৫২ জন বাসিন্দাকে আবারও হোটেলে পাঠানো হল। সামনে দুর্গাপুজো। কবে তাঁরা নিজেদের বাড়িতে ফিরতে পারবেন? সেই সম্বন্ধে কিছুই জানেন না বাসিন্দারা। আবার মাটির তলা থেকে জল বার হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
মেট্রো রেলের একেবারে শেষ ধাপের কিছু কাজ এখন চলছে সুড়ঙ্গের মধ্যে। সেখানেই শ্যাফটের নীচে জল বেরিয়ে আসছে পুনরায়। মেট্রোর ইঞ্জিনিয়াররা জানিয়েছেন, এটা বিপজ্জনক ব্যাপার নয়। কিন্তু রাজ্যের এসওপি অনুযায়ী, বউবাজারে কিছু হলেই যেন বাসিন্দাদের সরানো হয়। তাই বাসিন্দাদের সরিয়ে দেওয়া হল। সমস্ত আধিকারিকরা বউবাজারে গিয়েছেন।

মেট্রো রেলের এক আধিকারিক অবশ্য জানিয়েছেন, দ্রুত এই সমস্যা মিটে যাবে। পর্যবেক্ষণের পর বাসিন্দারা বাড়ি ফিরে আসতে পারবেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত ২৬ তারিখ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কাজ চলার জন্য। এরপর ২ তারিখ ফিরে আসার অনুমতি দেওয়া হয়।
গতকাল, বৃহস্পতিবার রাতে আবার জরুরি ভিত্তিতে বেরিয়ে যেতে বলা হয় তাঁদের। আর কত দিন এভাবে চলবে? এটাই এখন বাসিন্দাদের প্রশ্ন। সামনের মাসে দুর্গাপুজো। তখনও কি এই অবস্থাই থাকবে? ২০১৯ সালে মেট্রোর কাজ চলার সময় প্রথম বিপর্যয় হয়েছিল। বহু বাড়িতে ফাটল ধরেছিল। একাধিক বাড়ি ভেঙে পড়েছিল৷ পরে বেশ কিছু বাড়ি ভেঙেও ফেলা হয়।
জানা গিয়েছে, এই অংশে মেট্রো রেলের শেষ ধাপের কাজ চলছে সুড়ঙ্গে। এই কাজও নির্দিষ্ট সময়ে শেষ হবে। এবারের জল বেরনো তেমন বড় বিপর্যয় নয়। ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিশ্বরূপ দে এদিন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এভাবে আর কত দিন চলবে? মেট্রোরেলের আধিকারিকরা স্থায়ী বার্তা দেয় না। এই অভিযোগ করেছেন তিনি।
দুর্গা পিতুরি লেনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান KMRCL-এর আধিকারিকরা। সেখানে আধিকারিকদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের বচসা, ধস্তাধস্তির উপক্রম হয়। ঘটনার প্রতিবাদে সেন্ট্রাল মেট্রো স্টেশনে ঢুকে বউবাজারের বাসিন্দারা বিক্ষোভ দেখান। ভেন্ডিং মেশিনের সামনে বসে পড়েন তাঁরা। যদিও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।












Click it and Unblock the Notifications