শনাক্ত হওয়া 'অযোগ্য'দের বেতন ফেরাতে কী পদক্ষেপ? জানতে চাইল হাইকোর্ট! আরও চাপে মমতার সরকার
West Bengal SSC Recruitment Scam: নির্দিষ্টভাবে শনাক্ত হওয়া "অযোগ্য" বা "অবৈধ"দের বেতন ফেরাতে কি পদক্ষেপ? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের কাছে জানতে চাইল বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, নির্দিষ্টভাবে শনাক্ত হওয়া "অযোগ্য" বা "অবৈধ" চাকরিহারাদের মধ্যে দুজন এখনও বেতন পাচ্ছেন বলে অভিযোগ। সেক্ষেত্রে কি পদক্ষেপ রাজ্যের? সে বিষয়েও জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court|)।
একই সঙ্গে স্কুল সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইটে OMR Sheet আপলোড করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশ কি আদৌও পালন হয়েছে? এক্ষেত্রে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (West Bengal SSC Recruitment Scam) পদক্ষেপ কি? তাও জানতে চাইল বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ।

আগামী বুধবার ফের এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে। সেদিন এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য বিস্তারিত রিপোর্ট আকারে জমা দিতে হবে। যা নিঃসন্দেহে রাজ্যের কাছে বড় ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে নিয়োগের চারটি বিভাগেই পরবর্তী তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। সেটা কি পর্যায়ে আছে? মামলার শুনানিতে এদিন সিবিআইকে প্রশ্ন করে বিচারপতি বসাক। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী| সংস্থার তরফে আইনজীবী জানান, তদন্ত শেষ, ১০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, স্কুল সার্ভিস কমিশন (SSC) এর বিরুদ্ধে গত কয়েকদিন আগে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের (West Bengal SSC Recruitment Scam) হয় কলকাতা হাইকোর্টে। হাইকোর্টের নির্দেশের পরেও টাকা ফেরতের কোন প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। এমনকী আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত
ওএমআর প্রকাশ করা হয়নি বলেও অভিযোগ আইনজীবীদের।
শুধু তাই নয়, অনেক অযোগ্যরা এখনও স্কুলে গিয়ে ক্লাস নিচ্ছেন। এমনকী| পোর্টাল থেকে তাদের নাম পর্যন্ত বাদ যায়নি বলে দাবি। আর এই বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করে স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে
মামলা দায়ের করেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত ও আইনজীবী বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায়।
আর সেই মামলা আজ সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের
বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। আর সেই শুনানিতে একের পর এক প্রশ্নের মুখে পড়ে শিক্ষা দফতর এবং স্কুল শিক্ষা দফতর।












Click it and Unblock the Notifications