Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মুখ্যসচিবের অবস্থানে ফের অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট! বিচারপতি স্মরণ করালেন দায়িত্বের কথা

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করার অনুমতি দিতে সাত সপ্তাহ সময় চাইলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। যা নিয়ে অসন্তুষ্ট হাইকোর্ট। এর আগে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য চারবার সময় দিয়েছিল আদালত। শুক্রবার জামিনের মামলার চূড়ান্ত শুনানি করবে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ।

এদিন মুখ্যসচিব গোপালিকার আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি বাগচী বলেন, আদালতকে কড়া পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করছেন মুখ্যসচিব। তিনি প্রশ্ন করেন, এটা কি বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার কৌশল ? আদালতের মনে হচ্ছে, তিনি ইচ্ছা করে নির্দেশ অমান্য করছেন।

Partha Chatterjee

দায়িত্ব স্মরণ করালো আদালত
বিচারপতি বাগচী বলেন, আদালত তো তাঁকে (মুখ্যসচিব) অনুমতি দেওয়ার জন্য বাধ্য করেনি। তাঁকে নিজের সিদ্ধান্ত জানাতে বলেছে, নিজের দায়িত্ব পালন করতে বলেছে। তিনি বলেন, গণতন্ত্রে একজন উচ্চপদস্থ আধিকারিকের এই ধরনের পদক্ষেপ কাম্য নয়। তিনি আরও বলেন, এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া জরুরি ভিত্তিতে শুরু করা প্রয়োজন রয়েছে। তারপরও শেষ পর্যন্ত যদি মুখ্যসচিব অনুমতি না দেন তাহলেও আদালত বিষ্মিত হবে না।

প্রাতিষ্ঠানিক ষড়যন্ত্র
বিচারপতি বাগচী বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এটা একটা প্রাতিষ্ঠানিক ষড়যন্ত্র বলে আদালত মনে করছে। অভিযুক্তরা এতই প্রভাবশালী যে রাজ্যের মুখ্যসচিবের কলম কাজ করছে না। আদালতকে পর্যন্ত হিমশিম খেতে হচ্ছে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে।

নিরপেক্ষ বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ
বিচারপতি বাগচী বলেন, এখানে আদৌ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ বিচারপ্রক্রিয়া সম্ভব কিনা সেটা নিয়ে আদালতের যথেষ্ট সন্দেহ আছে। যদিও সেবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তদন্তকারী সংস্থাকেই নিতে হবে। তিনি বলেন,
পার্থ চট্টোপাধ্যায় মন্ত্রী না থাকলেও তার ক্ষমতা এজলাসে বসে টের পাওয়া যাচ্ছে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, আদালত ব্যথিত। এটা আমলাতান্ত্রিক অলসতা নাকি এর পিছনে অন্য কিছু আছে, প্রশ্ন করেন তিনি।

এর আগেও ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি
এর আগে গত মার্চ মাসেও নিয়োগ দুর্নীতির বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়া নিয়ে ফের রাজ্যের মুখ্যসচিবের ভূমিকায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। গত ২২ মার্চ মুখ্যসচিবকে নোটিশ জারি করে কলকাতা হাইকোর্ট। ৩ এপ্রিলের মধ্যে রিপোর্ট তলব করা হয়।

মুখ্যসচিবকে জানানো হয়েছিল আগেই

  • নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করার জন্য সিবিআই-এর তরফ থেকে রাজ্যের কাছে যে অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল। সেবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কতদিনের মধ্যে নেওয়া সম্ভব হবে, জানতে চেয়ে রিপোর্ট তলব করে আদালত। ২৬ শে মার্চ ইডির তরফ থেকে আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে মুখ্যসচিবকে অবগত করা হয়।
  • উল্লেখ করা প্রয়োজন, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সরকারি পদে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে সিবিআই চার্জশিট জমা দিয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকার অনুমোদন না দেওয়ায় চার্জ গঠন করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকার কেন এই অনুমোদন প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রেখেছে, তা নিয়ে আগেই প্রশ্ন করেছিল হাইকোর্ট।
  • গত মার্চে শুনানির সময় রাজ্যের আইনজীবী বলেছিলেন, মুখ্যসচিব ভোট প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তাই আরও সময় দেওয়া হোক। কিন্তু হাইকোর্ট এব্যাপারে সময় দিতে রাজি হয়নি।
More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+