মনোনয়নের সময়সীমা বাড়ছে না, এবার হাইকোর্টে ধাক্কা খেল বিজেপি-কংগ্রেস
পঞ্চায়েত মামলায় বিরোধীদের মনোনয়নের সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি খারিজ করে দিল হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি সুব্রত তালুকদার জানিয়ে দেন নতুন করে আর সময়সীমা বাড়ানো হচ্ছে না।
পঞ্চায়েত মামলায় বিরোধীদের মনোনয়নের সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি খারিজ করে দিল হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি সুব্রত তালুকদার জানিয়ে দেন নতুন করে আর সময়সীমা বাড়ানো হচ্ছে না। কংগ্রেস ও বিজেপির আর্জি খারিজ করে তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের উপর আর হস্তক্ষেপ করবে না আদালত।

সোমবার মনোনয়নে অশান্তি-হিংসার জেরে ফের এদিন আদালতে শুনানি হয়। যুধুধান শাসক-বিরোধী সওয়ালের পর হাইকোর্ট নতুন করে আইনি নির্দেশ দেয়নি নির্বাচন কমিশনকে। বরং নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। এদিন মনোনয়নে হিংসা, হতাহতের খতিয়ান তুলে ধরে ফের মনোয়নের সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি জানায় বিজেপি ও কংগ্রেস।
এ প্রসঙ্গে বিজেপি আরও জানায় তাঁদের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা না করেই মনোনয়নের বাড়তি দিন নিয়ে তড়়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে হাইকোর্টের অবমাননা হয়েছে। তখন হাইকোর্টে প্রশ্ন করে আপনারা কেন নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে যাননি। তখনই ওঠে পাঁচ সদস্যকে নিয়ে বৈঠকে যোগদানের প্রসঙ্গ। হাইকোর্ট জানায় কেন অন্য দল দুজনকে নিয়ে বৈঠক করতে পারলে, আপনারা পারলেন না। বিজেপির এই আর্জিও খারিজ হয়ে যায়।
বিজেপির আইনজীবী ছাড়াও মঙ্গলবার বিরোধীপক্ষ তথা বামফ্রন্টের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যও এদিন জোর সওয়াল করেন। তিনি বলেন, মনোনয়নের অতিরিক্ত দিনেও বেলাগাম সন্ত্রাস হয়েছে। রাজ্য ও নির্বাচন কমিশন- উভয়েই ব্যর্থ সন্ত্রাস ঠেকিয়ে মনোনয়ন সুষ্ঠু ও অবাধ করতে। এই অবস্থায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বত্বঃপ্রণোদিত ব্যবস্থা নিক হাইকোর্ট। কিন্তু হাইকোর্ট আর হস্তক্ষেপে রাজি হয়নি।
বিরোধী আইনজীবীর এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্য নিয়ে স্বত্বঃপ্রণোদিত ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানান হাইকোর্টে। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এই বিষয়টি নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে।












Click it and Unblock the Notifications