রাজ্যে মহিলাদের উপর অপরাধে কড়া পদক্ষেপ করতে হবে! ডিজিকে নির্দেশ জারি করতে বলল হাইকোর্ট
চন্দ্রকোনায় গণধর্ষণকাণ্ডে পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। শুধু তাই নয়, রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে মহিলাদের উপর ঘটা যেকোনও অপরাধের ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ করতে হবে বলেও পুলিশকে নির্দেশিকা জারির নির
চন্দ্রকোনায় গণধর্ষণকাণ্ডে পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। শুধু তাই নয়, রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে মহিলাদের উপর ঘটা যেকোনও অপরাধের ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ করতে হবে বলেও পুলিশকে নির্দেশিকা জারির নির্দেশ আদালতের। এমনকি এই নির্দেশ রাজ্য পুলিশের ডিজিকে জারি করতে হবে বলেও নির্দেশে জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

পশ্চিম মেদিনীপুরের আনন্দপুর থানায় গণধর্ষনের অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ সামনে আসে। আর এরপরেই কলকাতা হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। শুনানি হয় বিচারপতি রাজা শেখর মান্থার এজলাসে। দীর্ঘ শুনানি শেষে কার্যত নজিরবিহীন নির্দেশ বিচারপতির। ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ। আর তা উল্লেখ করেই আদালত সমস্ত জেলার পুলিশ সুপারদের সতর্ক করল।
একই সঙ্গে কড়া নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আর সেই নির্দেশে স্পষ্ট বলা হয়েছে এখন থেকে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ এলে কোনো রকম দেরি করা চলবে না। দ্রুত FIR করে তদন্ত শুরু করতে হবে বলে জানিয়েছে আদালত।
এমনকি এক্ষেত্রে যদি কোনও গাফিলতি থাকে তাহলে জেলা পুলিশ সুপার বা বিভাগীয় কমিশনারদের বিরুদ্ধে স্বত:প্রণোদিত ভাবে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করতে হবে রাজ্যকে।
আদালতের এই নির্দেশের কথা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বা নির্দেশ জারি করে সমস্ত পুলিশ সুপার এবং কমিশনার পদ মর্যাদার আধিকারিককে জানাতে হবে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে। শুধু তাই নয়, সেই নির্দেশ নিজেরা পড়ে তাতে স্বাক্ষর করে ফের জেলা পুলিশ সুপাররা ডিজির কাছে তা পাঠাবেন বলেও
নজিরবিহীন নির্দেশিকাতে জানিয়েছেন বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা।
শুধু তাই নয়, চন্দ্রকোনায় গণধর্ষণকাণ্ড নিয়েও যথেষ্ট কড়া কলকাতা হাইকোর্ট। নির্দেশে আদালত জানিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারকে সতর্ক করতে হবে। ইতিমধ্যে রাজ্য এই মামলাতে পুলিশ সুপারের গাফিলতি মেনে নিয়েছে। ফলে তাঁকে সতর্ক করতে হবে বলে বার্তা হাইকোর্টের। শুধু তাই নয়, পুলিশ সুপারকে যে সতর্ক করা হয়েছে তা তাঁর সার্ভিস বুকে উল্লেখ করে দিতে হবে বলেও কড়া নির্দেশ বিচারপতি রাজশেখর মান্থার।
তবে এই ঘটনায় কড়া অবস্থান নিয়েছে রাজ্য সরকারও। মামলার শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী জানিয়েছেন, আনন্দপুরের ওই গণ ধর্ষনে অভিযোগ না নেওয়ার ঘটনায় ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি এবং বিভাগীয় ডিএসপির বিরুদ্ধে FIR দায়ের হয়েছে। আর তা আদালতের নির্দেশে হয়েছে বলেও বিচারপতি মান্থার বেঞ্চে তথ্য দিয়ে এই বিষয়ে জানিয়েছেন রাজ্যের আইনজীবী। যা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications