আগামী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি নয়! শুভেন্দু মামলায় জানাল হাইকোর্ট
সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। ইতিমধ্যে সরকারি ভাবে সেই প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। বিজেপি-তৃণমূল উভয় দলই
ফের পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তিতে নিষেধাজ্ঞা! আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভোটের দিনক্ষণ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আজ বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টে। আর সেই মামলার শুনানিতেই অন্তর্বর্তী নির্দেশের মেয়াদ বাড়িয়ে দেওয়ার কথা জানায় ডিভিশন বেঞ্চ।

শুধু তাই নয়, আগামী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা যাবে না বলেও এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আদালত। যা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে আইনি জটিলতাও জারি থাকল।
বলে রাখা প্রয়োজন, সামনেই পঞ্চায়েত গুলির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আর তার আগেই ভোট করাতে হয়। ইতিমধ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্যে প্রক্রিয়াও শুরু করে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এর মধ্যেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
শুধু তাই নয়, অনগ্রসর শ্রেণির আসন পুনর্বিন্যাসের দাবি আদালতের কাছে রাখেন তিনি। বিরোধী দলনেতার মতে, একাধিক ভোটে হিংসার ঘটনা ঘটেছে। এমনকি হিংসার ঘটনায় রক্তাত্ব পর্যন্ত হয়েছে বাংলা। এই অবস্থা অবাধ এবং সুষ্ঠ পঞ্চায়েত ভোট করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন বলে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদনে জানান বিরোধী দলনেতা। কয়েক দফায় এই মামলার শুনানি হয়েছে ডিভিশন বেঞ্চে। মামলার শুনানি না হওয়া পর্যন্ত পঞ্চায়তের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।
এই অবস্থায় আজ বুধবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। দীর্ঘ সওয়াল জবাব শেষে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুধু তাই নয়, আগামী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পঞ্চায়েত ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা যাবে না বলেও জানিয়েছে আদালত। যদিও এবারের পঞ্চায়েত ভোট অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ হবে বলে জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে বিজেপি নেতাদের কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, ব্যালট বক্স পুকুরে ফেলার প্রয়োজন পড়বে না। ভালো ভোট হবে। কোথায় কোনও অশান্তি দেখলেই ব্যবস্থার কথাও বলেছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।
উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল অশান্তি করলে পুকুরে ব্যালট বক্স ফেলে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। সেই প্রসঙ্গ তুলেই কটাক্ষ করেছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। যদিও বঙ্গ বিজেপির বার্তা, ভোট হলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপেই হবে। যদিও রাজ্য পুলিশেই আস্থা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের।












Click it and Unblock the Notifications