West Bengal Recruitment Scam: প্রয়োজনে ৩৫০ জন শিক্ষককে জেরা করতে পারবে সিবিআই! বড় নির্দেশ হাইকোর্টের
West Bengal Recruitment Scam: পোস্টিং দুর্নীতির মামলায় অস্বস্তি বাড়ল রাজ্যের। তদন্ত চালিয়ে যাবে সিবিআই। একই সঙ্গে এই মামলায় যুক্ত করা হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকেও। এমনটাই নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। আজ শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে।
দীর্ঘ শুনানি শেষে এই মামলায় ইডিকেও যুক্ত করার নির্দেশ শোনাল। একই সঙ্গে তদন্তকারী সংস্থা অর্থাৎ সিবিআই প্রয়োজন মনে করলে ৩৫০ জন শিক্ষককে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। বিশেষ করে যাদের বিরুদ্ধে পোস্টিং দুর্নীতির মাধ্যমে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের সবাইকে জেরা করার ক্ষেত্রে সবুজ সঙ্কেত আদালতের।

মামলায় ইডিকে যুক্ত করার নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। এদিন মামলার শুনানিতে আদালতের পর্যবেক্ষণ, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ অনুযায়ী, এটা বলা যাবে তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। অন্যদিকে শিক্ষকরা চাইলে মামলার নথি সংগ্রহ করতে পারবে। তার জন্য একটি বাংলা এবং ইংরেজি সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিতে হবে। যেখানে থাকবে মামলা এবং মামলাকারী আইনজীবীর নম্বর
সাতদিনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে বলেও এদিন নির্দেশে জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ২৮ আগস্ট মামলার পরবর্তী শুনানি। বলে রাখা প্রয়োজন, শিক্ষকদের 'পোস্টিং' নিয়েও দুর্নীতি হয়েছে। আর এই বিষয়ে মামলা করেন সুকান্ত প্রামাণিক বলে এক ব্যক্তি। গত মাসে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়।
বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, প্রাথমিকের নিয়োগে পরিকল্পিত দুর্নীতি হয়েছে। আর এই ষড়যন্ত্র করেছেন স্বয়ং মানিক ভট্টাচার্য। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন তিনি এই ষড়যন্ত্র রচনা করেন। ফলে মানিক ভট্টাচার্যকে জেরা করার প্রয়োজন রয়েছে বলে পর্যবেক্ষণে জানান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
সেই মতো এই মামলায় মানিক ভট্টাচার্যকে জেরাও করা হয়। যদিও এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মানিক ভট্টাচার্য। সর্বোচ্চ আদালত তাঁর জিজ্ঞাসাবাদের উপর স্থগিতাদেশ জারি করে। কিন্তু সিবিআই তদন্তে উপর কোনও নির্দেশ দেয়নি। বিষয়টি উল্লেখ করে সিবিআইকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ জানান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications